শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫

|১৩ ভাদ্র ১৪৩২

সদ্য সংবাদ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:১৬, ১৫ আগস্ট ২০২৫

আপডেট: ১১:৫৩, ১৫ আগস্ট ২০২৫

পরিবারসহ বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের ৫০ বছর আজ

পরিবারসহ বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের ৫০ বছর আজ
ছবি: সংগৃহীত

আজ ১৫ আগস্ট, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের এই দিনে রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের নিজ বাসভবনে পরিবারের ১৬ সদস্য ও আত্মীয়স্বজনসহ নৃশংস হত্যাযজ্ঞের শিকার হন তিনি। একদল বিপথগামী সেনাসদস্য ভোরের অন্ধকারে এই নির্মম হত্যাকাণ্ড চালায়, যা ইতিহাসের অন্যতম ঘৃণ্য অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত।

সেদিন নিহতদের মধ্যে ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, তার প্রাণ বাঁচাতে ছুটে আসা কর্নেল জামিল, এসবি কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হক।

সেই রাতেই সেনাসদস্যদের আরেকটি দল বঙ্গবন্ধুর ভাগনে ও যুবলীগের নেতা শেখ ফজলুল হক মনির বাসায় হামলা চালিয়ে তাকে এবং তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনিকে হত্যা করে। একই সময়ে বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায় হামলায় নিহত হন তিনি নিজে, কন্যা বেবি, পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং আত্মীয় আবদুল নঈম খান।

ঘটনার সময় বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে যান।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে প্রথমবারের মতো ১৫ আগস্টকে রাষ্ট্রীয়ভাবে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় এসে এ সিদ্ধান্ত বাতিল করে। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনরায় দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। কিন্তু গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতায় আসা অন্তর্বর্তী সরকার ১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি ও জাতীয় শোক দিবসের স্বীকৃতি বাতিল করে।

সর্বশেষ