শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫

|১৩ ভাদ্র ১৪৩২

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫:১৫, ৩ আগস্ট ২০২৫

আপডেট: ১৫:৩৭, ৩ আগস্ট ২০২৫

‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রত্যাখ্যান করবে গণঅধিকার পরিষদ

‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রত্যাখ্যান করবে গণঅধিকার পরিষদ
ছবি: সংগৃহীত

আলোচনা ও অংশীজনদের স্বীকৃতি ছাড়া প্রস্তাবিত ‘জুলাই ঘোষণাপত্র' গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ। দলটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, বিপ্লবের অংশীজনদের উপেক্ষা করে তৈরি কোনো ঘোষণাপত্র তারা মেনে নেবে না।

রোববার (৩ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর পুরানা পল্টনের আল রাজি কমপ্লেক্সে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অবস্থান জানান দলের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, “২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারি চাকরির ১ম ও ২য় শ্রেণিতে কোটা প্রথা বিলুপ্ত হয়। কিন্তু হাইকোর্টের ২০২৪ সালের ৫ জুনের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ফের ৩০ শতাংশ কোটা পুনর্বহালের পটভূমিতে শিক্ষার্থীরা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন শুরু করে।”

তিনি আরও বলেন, “যখন আন্দোলন দমন করতে গুলি চালানো হয়, তখন এই কোটা সংস্কার আন্দোলন রূপ নেয় রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনে। ৩৬ দিনের এই ঐতিহাসিক গণআন্দোলনের পেছনে আছে দীর্ঘ ১৪-১৫ বছরের ধারাবাহিক সংগ্রাম—যার মধ্যে ছিল ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাটবিরোধী আন্দোলন ও নানা রাজনৈতিক উদ্যোগ।”

রাশেদ খান অভিযোগ করেন, “জুলাই ঘোষণাপত্রে বিপ্লবের এই ধারাবাহিক ইতিহাস ও অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর অবদানকে যথাযথভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। ইতোমধ্যে ঘোষণাপত্রের সময় ও তারিখ ঠিক করে ফেলেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, কিন্তু আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি।”

তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “জুলাই কারও একার নয়, জুলাই আমাদের সবার। যদি কারও খুশি করতে ঘোষণাপত্র লেখা হয়, তবে তা ৭১ সালের ইতিহাসের মতো ২৪ সালের ইতিহাসকেও একপাক্ষিক ও কুক্ষিগত করবে, যা ‘জুলাই চেতনার’ সম্পূর্ণ পরিপন্থি।”

সম্পর্কিত বিষয়: