রাজনীতির যৌনকরণ: ভারতে মুসলিম নারীদের লক্ষ্যবস্তু করতে যেভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এআই/ আল জাজিরার প্রতিবেদন

A
Admin
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৩৭:৩৩
সামরিন আইয়ুব প্রথমবার ভিডিওটি দেখে বিস্মিত হয়ে পড়েন। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের এই স্বাধীন পেশার মডেল গত বছর মোবাইল ফোনে দিল্লিতে কাটানো বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের স্মৃতি দেখছিলেন। ঠিক তখনই এক বন্ধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও তাঁর কাছে পাঠান। ভিডিওটির উপস্থাপনা ছিল এমন, যেন সেটি তাঁর নিজের জীবনকাহিনি। সেখানে নয়া দিল্লিতে তাঁর জীবন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনগুলো এবং ব্যক্তিগত নানা অভিজ্ঞতা একজন বর্ণনাকারীর কণ্ঠে তুলে ধরা হচ্ছিল। নিচে চলছিল টেলিভিশন সংবাদধর্মী শিরোনাম ও লেখা। অথচ পুরো বিষয়টির সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল ছিল না। সবকিছুই কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়েছিল।

সামরিনের ভাষায়, ‘এটি এক ধরনের অনুসরণ করার মতো অভিজ্ঞতা ছিল। আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সেমিস্টার থেকে শেষ সেমিস্টার পর্যন্ত সবকিছু তারা খুঁজে বের করেছে।’ ভিডিওটিতে দিল্লির জামিয়া মিল্লিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ছাত্রজীবনের বিভিন্ন ছবি ব্যবহার করা হয়। শ্রেণিকক্ষের প্রকল্প, বিদায় অনুষ্ঠান, বন্ধুদের সঙ্গে তোলা সেলফি এবং ক্যাম্পাস জীবনের সাধারণ মুহূর্ত—সবই সেখানে জুড়ে দেওয়া হয়েছিল।

ভিডিওটির কণ্ঠস্বরও তৈরি করা হয়েছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে। সেখানে ভিত্তিহীনভাবে দাবি করা হয়, তিনি মুসলিম নারী হয়েও হিন্দু পুরুষদের কাছে নিজের দেহ বিক্রি করেন। ছবিতে থাকা বিভিন্ন ব্যক্তির পরিচয় বিকৃতভাবে তুলে ধরা হয় এবং তাঁর ভাইকেও দালাল হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। সামরিন বলেন, ‘ভিডিওটি এতটাই বাস্তব মনে হচ্ছিল যে, আমার বাবা-মাও দেখলে সেটিকে সত্য বলে বিশ্বাস করতেন।’

গবেষকদের মতে, সামরিন এমন অনেক মুসলিম নারীর একজন, যারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ ছবি ও অপপ্রচারমূলক কনটেন্টের শিকার হচ্ছেন। সম্প্রতি এ ধরনের হামলার শিকার কয়েকজন মুসলিম নারীর সঙ্গে আল জাজিরা কথা বললেও, লজ্জা ও পুনরায় মানসিক আঘাতের আশঙ্কায় তারা নাম প্রকাশে রাজি হননি। তাই প্রতিবেদনে তাদের ছদ্মনাম ব্যবহার করা হয়েছে।

ভারতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বৈশ্বিক আলোচনায় সক্রিয় অংশগ্রহণের পাশাপাশি মুসলিম নারীদের নিয়ে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ ছবি ও ভিডিও তৈরির এই প্রবণতাও বাড়ছে। চলতি বছরের শুরুতে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রভাব সম্মেলনে এই প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো নিয়ে আলোচনা হয়।

ওয়াশিংটনভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত এক গবেষণায় ২০২৩ সালের মে থেকে ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ২৯৭টি উন্মুক্ত হিসাব থেকে সংগ্রহ করা ৩২৬টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্মিত ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণ করা হয়। এক্স, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম থেকে সংগৃহীত এসব কনটেন্টের মধ্যে মুসলিম নারীদের যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ উপস্থাপনাই সবচেয়ে বেশি সাড়া পেয়েছে। এসব কনটেন্টে ৬৭ লাখেরও বেশি প্রতিক্রিয়া ও অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।

গবেষণাটির সহলেখক এবং প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল গবেষণা বিশ্লেষক জেনিথ খান বলেন, জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খুব অল্প সময়ে এবং প্রায় বিনা খরচে যৌন কল্পনাকে দৃশ্যমান রূপ দেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। ছবি তৈরির প্রযুক্তি ও ডিপফেক ব্যবস্থা খুব কম প্রযুক্তিগত দক্ষতা দিয়েই বিদ্বেষমূলক বয়ানকে বাস্তবধর্মী দৃশ্যমান কনটেন্টে রূপান্তর করতে সাহায্য করছে।

এই প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মুম্বাইভিত্তিক আরটি ফাউন্ডেশন পরিচালিত অনলাইন নিরাপত্তা সহায়তা সেবা ‘মেরি ট্রাস্টলাইন’ও। তাদের ২০২৪ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়, শুধু তারকা বা রাজনীতিক নন, সাধারণ নারীরাও ক্রমবর্ধমানভাবে কৃত্রিমভাবে তৈরি বিকৃত ছবির শিকার হচ্ছেন।

সংস্থাটির পরামর্শক সালমান মুজাওয়ার জানান, ২০২২ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে তারা ৪৮২টির বেশি অভিযোগ নিয়ে কাজ করেছে। এর প্রায় ১০ শতাংশই ডিজিটালভাবে বিকৃত কনটেন্টসংক্রান্ত, আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহজলভ্য হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ ধরনের ঘটনার হারও বাড়ছে। তাঁর ভাষায়, লজ্জা, ভয় এবং মানসিক আঘাতের কারণে অনেক ভুক্তভোগী বিষয়গুলো গোপন রাখেন; পরিবার কিংবা বৃহত্তর সমাজেও সেগুলো খুব কমই পৌঁছায়।

সামরিন আইয়ুবের ভিডিওটি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর শুরু হয় অপমানজনক মন্তব্য, হুমকিমূলক ফোনকল এবং তাঁর চরিত্র নিয়ে কটূক্তি। তিনি বলেন, ‘এটি ছিল এক ধরনের ডিজিটাল গণহয়রানি। অসংখ্য হিসাব থেকে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল, আর শত শত মানুষ সেটি শেয়ার করছিল।’

গবেষণায় এমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্মিত ছবিও পাওয়া গেছে, যেখানে মুসলিম নারীদের ধর্মীয় পোশাকে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ পরিস্থিতিতে দেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে সাংবাদিক ও অধিকারকর্মীদের লক্ষ্য করে ভুয়া অশ্লীল ছবিও তৈরি করা হয়েছে। গবেষকদের মতে, এসব ছবিতে একটি নির্দিষ্ট বিন্যাস দেখা যায় একদিকে মুসলিম পরিচয়ের নারী, অন্যদিকে হিন্দু পরিচয়ের পুরুষ।

জেনিথ খান বলেন, এসব কৃত্রিম বয়ানে মুসলিম পুরুষদের প্রায়ই সহিংস বা নৈতিকভাবে অধঃপতিত হিসেবে দেখানো হয়। অন্যদিকে মুসলিম নারীদের হয় অনুগত হিসেবে, নয়তো সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের পুরুষদের মাধ্যমে ‘উদ্ধারপ্রাপ্ত’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। গবেষকদের মতে, এটি শুধু রাজনৈতিক কথোপকথনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নয়, বরং রাজনৈতিক বাস্তবতারই একটি অংশ।

মিউনিখের লুদভিগ ম্যাক্সিমিলিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের গণমাধ্যম নৃবিজ্ঞানী সহানা উদুপি একে ‘রাজনীতির যৌনকরণ’-এর অংশ হিসেবে বর্ণনা করেন। তাঁর মতে, ডানপন্থী ডিজিটাল সংস্কৃতিতে হাস্যরস, ব্যঙ্গচিত্র এবং যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ উপস্থাপনার মাধ্যমে হয়রানিকে স্বাভাবিক করে তোলা হচ্ছে। তিনি বলেন, এসব অনুশীলন এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে, যা গোষ্ঠীগত উচ্ছ্বাস এবং সম্মিলিত আগ্রাসনের ওপর নির্ভরশীল।

গবেষকদের মতে, এই প্রবণতার শিকড় শুধু নারীবিদ্বেষে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে জড়িত আরও গভীর আদর্শিক কাঠামো। এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ভারতে মুসলিম নারীদের দেহকে সাম্প্রদায়িক আধিপত্যের প্রতীকী যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করা হয়েছে, যার প্রতিফলন দেখা গেছে ‘সুলি ডিলস’ ও ‘বুলি বাই’ বিতর্কে। ওই দুটি অনলাইন ছদ্মনিলামমঞ্চে মুসলিম নারীদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। গবেষণায় দাবি করা হয়, এসব ঘটনার পেছনে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক বলয়ের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব এবং অনানুষ্ঠানিক ডিজিটাল সমর্থন ছিল।

জেনিথ খান মনে করেন, দক্ষিণ এশিয়ার বহু সংস্কৃতিতে নারীদের পারিবারিক সম্মানের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। তাই মুসলিম নারীদের দৃশ্যমানভাবে আক্রমণ করার অর্থ হলো পুরো মুসলিম সমাজকে অপমানিত করার চেষ্টা। তিনি জানান, একজন মুসলিম নারী ও গবেষক হিসেবে এই গবেষণা তাঁকেও গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টির রাজনীতিক আতিক রশীদ বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা সম্ভব। এর অপব্যবহার রোধে কঠোর নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন বলে তিনি মত দেন। ডিপফেক ও যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কনটেন্টকে তিনি অত্যন্ত উদ্বেগজনক উল্লেখ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার আহ্বান জানান। তবে বিষয়টিকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার বিরোধিতা করে তিনি দাবি করেন, তাঁর দল সব ধর্মের নারীদের সম্মান করে এবং অতীতের আলোচিত ঘটনাগুলোতে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

গবেষকদের মতে, জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার মুসলিম নারীদের বিরুদ্ধে অনলাইন হয়রানির মাত্রা ও গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। নতুন বিভিন্ন ব্যবস্থায় ব্যবহারকারীরা ছবি আপলোড করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ ছবি তৈরি করতে পারছেন। এসব প্রযুক্তি সহজলভ্য এবং অনেক ক্ষেত্রেই বিনা খরচে ব্যবহার করা যায়।

‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’-এর গবেষণা ও জনসম্পৃক্ততা বিভাগের পরিচালক এভিয়ান লেইডিগ বলেন, প্রযুক্তির সাহায্যে নারীদের, বিশেষ করে সংখ্যালঘু নারীদের লক্ষ্য করে হয়রানি করার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। তবে এখন পার্থক্য হলো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এই ক্ষতির পরিসর ও তীব্রতা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।

২৭ বছর বয়সী গবেষক ও অধিকারকর্মী আফরিন ফাতিমাও দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন হয়রানির শিকার। ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে অবস্থান নেওয়ার পর থেকে তাঁকে নিয়মিত অপমানজনক বার্তা ও ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ‘সুলি ডিলস’-এ যাদের ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল, আফরিন তাদের একজন। তিনি বলেন, প্রতি কয়েকদিন পরপরই অচেনা হিসাব থেকে তাঁকে ধর্ষণ বা হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ ছবি তৈরির প্রবণতা তাঁর উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

আফরিনের ভাষায়, ‘এসব ছবি সম্পর্কে জানলে মনে হয়, এটি ব্যক্তিগতভাবে আমাকে আক্রমণ করছে। এগুলো এক ধরনের আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করে।’ তিনি জানান, অনলাইন ঘৃণার প্রভাব তাঁর বাস্তব জীবনেও পড়েছে। এখন একা কোথাও যেতে তিনি অস্বস্তি বোধ করেন, কারণ অনলাইনে ছড়ানো ঘৃণার বহিঃপ্রকাশ বাস্তবেও ঘটতে পারে এমন আশঙ্কা সবসময় কাজ করে।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামরিনের পেশাগত জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তিনি বলেন, একজন মডেলের জন্য সুনামই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক মন্তব্য জমতে থাকলে বিভিন্ন ব্র্যান্ড কাজ দিতে আগ্রহ হারায়। চার-পাঁচ মাস ধরে ভুয়া হিসাব থেকে তাঁর বিরুদ্ধে অপমানজনক মন্তব্য করা হয়, ফলে সম্ভাব্য অনেক কাজ হাতছাড়া হয়ে যায়।

তিনি জানান, আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তাঁর কাছে নিরাপদ মনে হতো, কিন্তু এখন আর তা নয়। তাই তিনি কী পোস্ট করছেন এবং কতটা সক্রিয় থাকছেন, সবকিছুই সীমিত করে দিয়েছেন।

সামরিন এ ঘটনায় দিল্লির সাইবার অপরাধ দমন ইউনিটে লিখিত অভিযোগ করেন। তবে তাঁর দাবি, অভিযোগের পরও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বন্ধুদের সম্মিলিতভাবে অভিযোগ করার পর কিছু আপত্তিকর কনটেন্ট সরানো হলেও মূল সমস্যার সমাধান হয়নি।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্মিত কনটেন্টের দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে বিদ্যমান আইন তাল মেলাতে পারছে না। আইনজীবী ও ইন্টারনেট ফ্রিডম ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অপার গুপ্ত বলেন, ‘ছবিটি কৃত্রিম হলেও ক্ষতিটা বাস্তব।’ তাঁর মতে, ছবি ভুয়া হলেও এটি ভুক্তভোগী নারীদের জন্য দীর্ঘস্থায়ী সামাজিক কলঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তিনি আরও বলেন, অবৈধ কনটেন্ট সরানোর ব্যবস্থা থাকলেও তা প্রমাণ ও অভিযোগ করার প্রক্রিয়া এতটাই জটিল যে অনেক ভুক্তভোগী সেই ধাপ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেন না। কাঠামোগত পরিবর্তন না এলে—হোক তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নকশা, অ্যালগরিদম বা আইনি কাঠামো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক হয়রানি এমন গতিতে বাড়তে থাকবে, যা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এই পরিস্থিতিতে লক্ষ্যবস্তু হওয়া মুসলিম নারীদের কাছে জবাবদিহি ও ন্যায়বিচার এখনও অধরাই রয়ে গেছে। সামরিনের কথায়, ‘আমি শুধু চাই, যারা এসব ভুয়া হিসাবের আড়ালে থেকে আমার সুনাম নষ্ট করেছে, তাদের খুঁজে বের করা হোক। তারা আমাকে না চিনেই আমার জীবন ও সম্মান ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।’

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. একসঙ্গে পুলিশের ৭ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি সদ্য. জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশন ঘিরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সদ্য. সরকারি সব কলেজের উদ্দেশে মাউশির জরুরি নির্দেশনা সদ্য. ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: রেলমন্ত্রী সদ্য. ডিসেম্বর নয়, বুকের পাটা থাকলে এখন আসেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী সদ্য. ঢাকায় হতে পারে বৃষ্টি, কমতে পারে তাপমাত্রা সদ্য. জামায়াতের নিয়োগে স্বচ্ছতা নেই, শিবির করাই একমাত্র যোগ্যতা: ছাত্রদল সভাপতি সদ্য. গুলশান ও বনানী থানায় নতুন ওসি নিয়োগ সদ্য. ১০৩ এনওসি বাতিল, ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ সদ্য. তারেক রহমানের সঙ্গে এরদোয়ানের বৈঠক, সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় সদ্য. একসঙ্গে পুলিশের ৭ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি সদ্য. জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশন ঘিরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সদ্য. সরকারি সব কলেজের উদ্দেশে মাউশির জরুরি নির্দেশনা সদ্য. ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: রেলমন্ত্রী সদ্য. ডিসেম্বর নয়, বুকের পাটা থাকলে এখন আসেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী সদ্য. ঢাকায় হতে পারে বৃষ্টি, কমতে পারে তাপমাত্রা সদ্য. জামায়াতের নিয়োগে স্বচ্ছতা নেই, শিবির করাই একমাত্র যোগ্যতা: ছাত্রদল সভাপতি সদ্য. গুলশান ও বনানী থানায় নতুন ওসি নিয়োগ সদ্য. ১০৩ এনওসি বাতিল, ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ সদ্য. তারেক রহমানের সঙ্গে এরদোয়ানের বৈঠক, সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয়