মতামত
জলবায়ু দুর্যোগ: কোনো দেশই বিচ্ছিন্ন নয়
রাজনৈতিক পুলিশের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে: সাংবাদিক সোয়েব সিকদার
অভ্যন্তরীণ নৌপথের অতন্দ্র প্রহরী:নৌ পুলিশের নিরন্তর অভিযাত্রা
বাংলাদেশের নদীপথ কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়; এটি দেশের অর্থনীতি, কৃষি ও পরিবেশেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। কয়লা, সার, খাদ্যশস্যসহ ভারী পণ্য পরিবহনে নৌপথ সড়ক ও রেলের তুলনায় ৩০–৫০ শতাংশ পর্যন্ত সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব। চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা বন্দর থেকে দেশের অভ্যন্তরে পণ্য পরিবহন এবং নারায়ণগঞ্জ, আশুগঞ্জ ও বাঘাবাড়ীর মতো নৌবন্দরগুলোর বাণিজ্যিক বিকাশে নদীপথের ভূমিকা অপরিসীম। নদী সেচ ও পলিমাটির মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন টিকিয়ে রাখে এবং নদী-জলাশয়ভিত্তিক মৎস্য কার্যক্রম দেশের জিডিপিতে প্রায় ৩.৬১ শতাংশ অবদান রাখছে। তবে এই বিস্তৃত জলপথে স্থলভিত্তিক অপরাধের পাশাপাশি মাদক চোরাচালান, অবৈধ বালু উত্তোলন ও নৌযানকেন্দ্রিক বিভিন্ন অপরাধও সংঘটিত হয়, যা অনেক সময় দুর্গম চরাঞ্চলের কারণে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।এই বাস্তবতায় নদীপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট নৌ পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সীমিত জনবল নিয়েও নৌ পুলিশ নদীপথের বহুমুখী অপরাধ দমন করে যাত্রী, জেলে ও নদীতীরবর্তী মানুষের মাঝে নিরাপত্তা ও আস্থার অনুভূতি জোরদার করছে।
স্বপ্ন থেকে বাস্তবতা: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ বছরের পথচলা
ত্রিশালে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন ছিল দীর্ঘদিনের। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিবিজড়িত এই জনপদকে উচ্চশিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করার দাবিতে স্থানীয় জনগণ, শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব দীর্ঘদিন ধরে প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ পায়, যখন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৫ সালের ১ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরবর্তীতে ২০০৬ সালের ২৫ মে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়টির উদ্বোধন করেন।
স্বাধীনতার ৫৫ বছর, ১২ নির্বাচন: ক্ষমতা বদলালেও কি বদলেছে সাধারণ মানুষের জীবন?
স্বাধীনতার পর কেটে গেছে ৫৫ বছর। এই সময়ে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে মোট ১২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন। গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতার দিক থেকে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা হলেও, সাধারণ ভোটারদের মনে আজও একটি মৌলিক প্রশ্ন রয়ে গেছে—এই দীর্ঘ সময়ে নির্বাচনের মাধ্যমে তারা প্রকৃত অর্থে কী অর্জন করেছেন? প্রতিটি নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে উঠে আসে উন্নয়ন, সুশাসন, দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি। ভোটাররা সেই আশায় ভোট দেন, সরকার গঠন করেন। কিন্তু নির্বাচন শেষ হলে বাস্তবতার চিত্র অনেক ক্ষেত্রেই ভিন্ন হয়ে ওঠে।