জামায়াতে ইসলামী নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। তাঁর অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধা ও যোগ্যতার পাশাপাশি রাজনৈতিক পরিচয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব অভিযোগ করেন ছাত্রদল সভাপতি।
রাকিবুল ইসলাম রাকিবের দাবি, জামায়াত নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ন্যূনতম স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার চর্চা নেই। সেখানে ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততাকেই যোগ্যতার অন্যতম মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ পরীক্ষায় ভাইভা বোর্ডে জামায়াতের কোনো ব্যক্তি থাকলে শিবিরের নেতা-কর্মীরা বাড়তি সুবিধা পান- এমন অভিযোগও করেন ছাত্রদল সভাপতি। তবে এসব দাবির পক্ষে তিনি পোস্টে কোনো নির্দিষ্ট নিয়োগ প্রক্রিয়া বা নথিপত্রের উল্লেখ করেননি।
পোস্টে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ নিয়ে প্রচার ও বক্তব্য দেওয়ারও সমালোচনা করেন রাকিব। তাঁর দাবি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগের বিষয়টি পাশ কাটিয়ে অন্য সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে দায় চাপানো হচ্ছে।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির নিয়োগ প্রসঙ্গও তুলে ধরেন ছাত্রদল সভাপতি। তিনি দাবি করেন, এস আলমের মালিকানাধীন সময়ে ব্যাংকটিতে যেসব নিয়োগ হয়েছে, সেগুলোর যথাযথ যাচাই-বাছাই নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
একই সঙ্গে বর্তমানে ব্যাংকটিতে থাকা ৮ হাজারের বেশি শূন্য পদে নিয়োগের ক্ষেত্রেও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।
রাকিব আরও অভিযোগ করেন, ইসলামী ব্যাংক আর্থিক সংকটে পড়লে জনগণের অর্থ থেকে সহায়তা দেওয়া হলেও নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের অভিযোগের মাধ্যমে তিনি ব্যাংকটির নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
তবে ছাত্রদল সভাপতির এসব অভিযোগের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্রশিবির কিংবা ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তার ওই পোস্টে উল্লেখ করা হয়নি।
সদ্য সংবাদ/এসকে