তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে জড়ো হন বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী, যারা স্লোগান ও করতালির মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানান।
এর আগে, রোববার (২৮ ডিসেম্বর) তিনি রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে যান। এটি ছিল গুলশান কার্যালয়ে তার প্রথম আগমন। এক-এগারোর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য এই কার্যালয়টি চালু করা হয়।
প্রায় দেড় যুগ নির্বাসন শেষে গত বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফেরেন তারেক রহমান। তার প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে ঢাকায় লাখো নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। পূর্বাচলের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট) এলাকায় তাকে দেয়া হয় বিশাল সংবর্ধনা। এতে সারা দেশ থেকে আগত নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
দেশে ফেরার পরদিন শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান। গুলশান থেকে জিয়া উদ্যান পর্যন্ত পুরো পথে হাজারো নেতাকর্মী তাকে স্বাগত জানান। জনস্রোতের মাঝেই তিনি হাত নেড়ে শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।
বিকেল পৌনে ৫টার দিকে জিয়া উদ্যানে পৌঁছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ জিয়ার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান। ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নিয়ে তিনি শহীদ জিয়ার রুহের মাগফেরাত এবং মা বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করেন।
এরপর, বিকেল ৫টার দিকে তিনি সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে রওনা হন। পথে পথে ছিল মানুষের ঢল, যা সামাল দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে হিমশিম খেতে হয়। রাত ১০টার কিছু পর জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।