মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে নেতানিয়াহু গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন। তাঁর আশঙ্কা, আলোচনার নামে সময়ক্ষেপণ করলে তেহরান নিজেদের সামরিক ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার সুযোগ পাবে।
এদিকে মার্কিন প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা ও ইসরায়েলি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে এক ঘণ্টাব্যাপী উত্তপ্ত ফোনালাপ হয়। সেখানে ইরানকে মোকাবিলায় ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে দুই নেতার মধ্যে স্পষ্ট মতপার্থক্য সামনে আসে।
ফোনালাপে নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করার পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন। তিনি ট্রাম্পকে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। তবে ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করে জানান, যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইরানের সঙ্গে নতুন একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তবে কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিলেও ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক বিকল্প পুরোপুরি বাতিল করেনি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রয়োজনে ওয়াশিংটন কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে—এমন বার্তাও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কৌশলগত অবস্থানে এই ভিন্নমত মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই