সমঝোতা না হলে আবারও ইরানে হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

A
Admin
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৩৭:৩২
ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমঝোতা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও সামরিক পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান আলোচনা যখন যুদ্ধের স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে, তখনই তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।

শনিবার সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ নিরাপত্তা সম্মেলন শাংগ্রি-লা সংলাপে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হেগসেথ বলেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় হামলা চালানোর সক্ষমতা রাখে। তিনি দাবি করেন, দেশটির অস্ত্রভাণ্ডার ও সামরিক প্রস্তুতি শুধু মধ্যপ্রাচ্যে নয়, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনার জন্য যথেষ্ট।

তার এই বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের লক্ষ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য একটি চুক্তির পথে থাকা গুরুত্বপূর্ণ মতপার্থক্যগুলো দূর করার চেষ্টা করছেন দুই দেশের আলোচকেরা।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ইরানকে ঘিরে কূটনৈতিক ও সামরিক তৎপরতা চললেও যুক্তরাষ্ট্র এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে মনোযোগ সরিয়ে নেয়নি।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একই সময়ে একাধিক অগ্রাধিকার নিয়ে কাজ করতে সক্ষম। প্রতিরক্ষা শিল্প খাতকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং শিগগিরই গোলাবারুদ উৎপাদন কয়েক গুণ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সামরিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোনো বাধা না আসে।

হেগসেথের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষেই অবস্থান করছেন। তিনি এমন একটি সমঝোতা চান, যা নিশ্চিত করবে ইরান কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে।

এর আগে শুক্রবার ট্রাম্প জানান, ইরান যুদ্ধের অবসান নিয়ে প্রস্তাবিত একটি পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি হোয়াইট হাউসের নিরাপদ বৈঠককক্ষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিলের শুরুতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ানো হতে পারে। এর ফলে স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছাতে উভয় পক্ষ অতিরিক্ত সময় পাবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-সমর্থিত সামরিক অভিযানের পর ইরান ও লেবাননে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও চাপ বেড়েছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে।

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. রোহিঙ্গাদের ন্যায়বিচার ও মর্যাদার গল্পের সূচনা হোক এখনই: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সদ্য. ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: রোববার থেকে শুরু পোস্টাল ভোটের নিবন্ধন সদ্য. প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক সদ্য. রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি সদ্য. একসঙ্গে পুলিশের ৭ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি সদ্য. জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশন ঘিরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সদ্য. চাপের কাছে মাথা নত করবে না ইরান: জাতিসংঘে পেজেশকিয়ান সদ্য. চবি ভিসির প্রথম নিয়োগে ১২ জনের ৮ জনই নিজ গ্রামের, বাকি ৪ জন উপজেলার সদ্য. বারিধারায় গাড়িচাপা: মামলায় নাম নেই গতকাল আটক সেই কিশোরের সদ্য. সরকারি সব কলেজের উদ্দেশে মাউশির জরুরি নির্দেশনা সদ্য. রোহিঙ্গাদের ন্যায়বিচার ও মর্যাদার গল্পের সূচনা হোক এখনই: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সদ্য. ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: রোববার থেকে শুরু পোস্টাল ভোটের নিবন্ধন সদ্য. প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক সদ্য. রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি সদ্য. একসঙ্গে পুলিশের ৭ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি সদ্য. জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশন ঘিরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সদ্য. চাপের কাছে মাথা নত করবে না ইরান: জাতিসংঘে পেজেশকিয়ান সদ্য. চবি ভিসির প্রথম নিয়োগে ১২ জনের ৮ জনই নিজ গ্রামের, বাকি ৪ জন উপজেলার সদ্য. বারিধারায় গাড়িচাপা: মামলায় নাম নেই গতকাল আটক সেই কিশোরের সদ্য. সরকারি সব কলেজের উদ্দেশে মাউশির জরুরি নির্দেশনা