কর্মব্যস্ত অফিসে কাজের চাপ, মিটিং আর ই-মেইলের ভিড়ে একটু হাসি ও আনন্দের মুহূর্ত এনে দিতে পারে ছোট্ট একটি উপহার। আর সেটি যদি হয় চকলেট, তাহলে মিষ্টি মুহূর্তের সঙ্গে সহকর্মীদের সম্পর্কেও যোগ হতে পারে আন্তরিকতার নতুন মাত্রা। সহকর্মীদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি ও সৌহার্দ্য বাড়ানোর প্রতীকী উপলক্ষ হিসেবে আজ ২০ অক্টোবর পালিত হচ্ছে ‘অফিস চকলেট ডে’।
দিবসটির মূল ভাবনা হলো, কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও আন্তরিকতার চর্চা বাড়ানো। প্রতিদিনের ব্যস্ত রুটিনে সহকর্মীদের সঙ্গে কিছু আনন্দঘন সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি করাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।
অফিসের কাজের চাপ, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব শেষ করার তাড়া কিংবা একের পর এক বৈঠক- সব মিলিয়ে কর্মজীবন অনেক সময় একঘেয়ে হয়ে ওঠে। এমন পরিস্থিতিতে সহকর্মীর কাছ থেকে পাওয়া ছোট্ট একটি চকলেটও হয়ে উঠতে পারে আনন্দের উপলক্ষ। একই সঙ্গে এটি সহকর্মীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা প্রকাশের সহজ মাধ্যম।
দিনটি উদযাপনে বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন নেই। সহকর্মীদের জন্য এক বাক্স চকলেট নিয়ে যাওয়া, বিরতির সময়ে সবার সঙ্গে ভাগ করে খাওয়া কিংবা ছোট পরিসরে মিষ্টিমুখের আয়োজন করেই দিনটিকে স্মরণীয় করে তোলা যায়। কেউ চাইলে চকলেটের পাশাপাশি মাফিন বা কেক দিয়েও সহকর্মীদের চমকে দিতে পারেন।
এ উপলক্ষে এমন সহকর্মীদের সঙ্গেও সৌহার্দ্য বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে, যাঁদের সঙ্গে সাধারণত কাজের প্রয়োজন ছাড়া খুব বেশি কথা হয় না। ছোট্ট একটি উপহার কিংবা আন্তরিক শুভেচ্ছা কর্মক্ষেত্রে পারস্পরিক দূরত্ব কমাতে এবং যোগাযোগ বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। তবে আয়োজনটি যেন সবার জন্য স্বস্তিদায়ক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়, সেদিকেও নজর রাখা প্রয়োজন।
‘অফিস চকলেট ডে’র সূচনা বা নির্দিষ্ট প্রবর্তক সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় না। বিভিন্ন অনলাইন দিবসপঞ্জিতে ২০ অক্টোবর দিনটি পালনের উল্লেখ থাকলেও এটি আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে স্বীকৃত নয়।
সদ্য সংবাদ/এসকে