রাজধানীর বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে ভিক্ষাবৃত্তি নিষিদ্ধ থাকার পরও অর্থের বিনিময়ে ভিক্ষা করার সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন স্টেশনের কমিউনিটি পুলিশের সদস্য খোকন। অসহায় ভিক্ষুকদের কাছ থেকে দৈনিক ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ভিক্ষুকরা।
অভিযোগ অনুযায়ী, স্টেশনের শৌচাগারের দায়িত্বে থাকা হাই নামের এক ব্যক্তি ভিক্ষুকদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করেন। পরে সেই অর্থ কমিউনিটি পুলিশের সদস্য খোকনের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে সংগৃহীত অর্থ শেষ পর্যন্ত কার কাছে যায়, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সরেজমিনে শৌচাগারের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভিক্ষুকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগের বিষয়ে খোকন বলেন, ভিক্ষুকদের বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। এ কারণে তাঁরা তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে বিমানবন্দর পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বে থাকা মাহবুব জামানের সঙ্গে খোকনের ঘনিষ্ঠতার বিষয়েও আলোচনা রয়েছে বলে ফাঁড়ির এক পুলিশ সদস্য জানিয়েছেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে মাহবুব জামান তা অস্বীকার করে বলেন, ঘটনার সত্যতা যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার আলমগীর হোসেন জানান, স্টেশন এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তি নিষিদ্ধ। এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্টেশনে ভিক্ষাবৃত্তি নিষিদ্ধ থাকার পরও কীভাবে এমন কার্যক্রম চলতে পারে এবং অসহায় মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগের পেছনে কারা রয়েছেন, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সদ্য সংবাদ/এসএস