আন্তর্জাতিক
ইরানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে কাতার: ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে তেহরানের পাল্টা হামলার জবাবে কাতার ইরানে হামলা চালিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানের বিভিন্ন এলাকায় এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে কাতারের সামরিক বাহিনী। কাতারের হামলার বিষয়ে অবগত অজ্ঞাতনামা পশ্চিমা সূত্রের বরাতে ইসরায়েল টেলিভিশন চ্যানেল ১২ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত, মার্কিন রণতরী পালিয়েছে: আইআরজিসি
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের মধ্যে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, গত দুই দিনে পরিচালিত পাল্টা ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’ অভিযানে অন্তত ৬৫০ জন মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নায়েনি এই দাবি তুলে ধরেন। তিনি জানান, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
কাতারের পর ইরানে হামলার কথা ভাবছে আরব আমিরাত
সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বন্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। তবে যদি আবুধাবি সরাসরি হামলা চালায়, সেটি হবে নজিরবিহীন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র অ্যাক্সিওসকে এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেসামরিক অবকাঠামো ও তেল-গ্যাস স্থাপনায় ইরানের হামলা উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমিরাত; এমনকি ইসরায়েলের তুলনায়ও বেশি।
মার্কিন–ইসরায়েলি হামলায় ইরানে সহস্রাধিক প্রাণহানির দাবি
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলায় এক হাজারের বেশি বেসামরিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি। সংস্থাটির সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া অভিযানে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৯৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১০ বছরের কম বয়সী অন্তত ১৮১ জন শিশু রয়েছে। একই সময়ে আহত হয়েছেন ৫ হাজার ৪০২ জন, যাদের মধ্যে অন্তত ১০০ জন শিশু।
খামেনির মৃত্যু ইরানি শাসনব্যবস্থায় পতন আনবে না: ফারাহ পাহলভি
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির মৃত্যু ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলেও এর ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন ঘটবে না বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির শেষ শাহের বিধবা সম্রাজ্ঞী ফারাহ পাহলভি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন তিনি। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন ফারাহ পাহলভি।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নিহত শিশুদের গণজানাজায় মানুষের ঢল
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের মিনাব শহরে একটি মেয়েদের বিদ্যালয়ে ভয়াবহ হামলায় নিহত ১৭৫ জনের স্মরণে রাজধানী তেহরানে গণজানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৬৫ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মী বলে জানিয়েছে তেহরান। এ ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা হিসেবে দাবি করেছে ইরান সরকার। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারে দেখা যায়, মিনাবের একটি উন্মুক্ত চত্বরে হাজারো মানুষ নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জড়ো হয়েছেন।
ইরানিদের নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার দিতে হবে: ফারাহ পাহলভি
ইরানের জনগণের নিজস্ব পথ বেছে নেওয়ার অধিকারকে সম্মান করার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির সাবেক সম্রাজ্ঞী ফারাহ পাহলভি। তিনি বলেছেন, ইরানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে ইরানিরাই, কোনো বিদেশি শক্তি নয়। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) প্যারিসে বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। ৮৭ বছর বয়সী এই সাবেক সম্রাজ্ঞী ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর প্যারিসে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনেইর সাম্প্রতিক মৃত্যুকে ‘ঐতিহাসিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ’ উল্লেখ করলেও ফারাহ পাহলভি বলেন, 'শুধু একজন নেতার মৃত্যুতে পুরো ব্যবস্থার পতন ঘটে না।
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বড় ছেলে মোজতবা খামেনি। বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-এর প্রভাব ও সমর্থনের মধ্যে দিয়ে ‘এসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে মনোনীত করেছে। ১৯৬৯ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মাশহাদ শহরে জন্ম নেওয়া মোজতবা খামেনি দীর্ঘ সময় ধরে ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে পর্দার আড়ালে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। মাধ্যমিক শিক্ষা শেষের পর ১৯৮৭ সালে তিনি ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীতে যোগ দিয়ে ইরান–ইরাক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
ইরানের ১৭ জাহাজ ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, ১০০ ঘণ্টায় ২ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে ইরানের নৌ সক্ষমতায় বড় ধরনের আঘাত হানার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর তথ্যমতে, চলমান অভিযানে ইরানের একটি সাবমেরিনসহ মোট ১৭টি জাহাজ ধ্বংস করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ তথ্য জানান ব্র্যাড কুপার। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অ্যাডমিরাল কুপার জানান, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামের অভিযানে বি-২ ও বি-১ বোমারু বিমান ব্যবহার করে অত্যন্ত নিখুঁত হামলা চালানো হচ্ছে।
যুদ্ধ ১০ দিনের বেশি চললে ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে পড়বে যুক্তরাষ্ট্র: পেন্টাগনের সতর্কবার্তা
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত আরও ১০ দিন অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত বিপজ্জনক পর্যায়ে নেমে আসতে পারে—এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের চতুর্থ দিনে শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে অবহিত করেছেন। ফাঁস হওয়া তথ্যে জানা যায়, দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে বিশেষ করে ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থার ঘাটতি প্রকট হতে পারে।
ভারত মহাসাগরে মার্কিন ডেস্ট্রয়ারে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি
ভারত মহাসাগরে মোতায়েন থাকা একটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। বুধবার (৪ মার্চ) ভোরে এক বিবৃতিতে বাহিনীটি জানায়, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৪’-এর অংশ হিসেবে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি-এর বরাতে বলা হয়, দেশটির দক্ষিণ উপকূল থেকে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি কৌশলগত মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।
পাকিস্তানের সামরিক স্থাপনায় আফগানিস্তানের হামলা
তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) একটি পোস্টে বলেন, “পাকিস্তানের সামরিক মহলের ধারাবাহিক উসকানি ও সীমান্ত লঙ্ঘনের জবাবে ডুরান্ড লাইনের বিভিন্ন স্থানে পাকিস্তানি সামরিক অবস্থান ও স্থাপনার বিরুদ্ধে ব্যাপক আক্রমণ শুরু হয়েছে।”