মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ তথ্য জানান ব্র্যাড কুপার। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অ্যাডমিরাল কুপার জানান, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামের অভিযানে বি-২ ও বি-১ বোমারু বিমান ব্যবহার করে অত্যন্ত নিখুঁত হামলা চালানো হচ্ছে।
তিনি দাবি করেন, এ অভিযানের ফলে বর্তমানে আরব উপসাগর, হরমুজ প্রণালী ও ওমান উপসাগরে ইরানের কোনো জাহাজ সক্রিয় অবস্থায় নেই। এমনকি ইরানের সবচেয়ে সক্রিয় সাবমেরিনটিকেও অকেজো করে দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত চারদিন ধরে চলা এই অভিযানে প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা এবং ২০০টির বেশি যুদ্ধবিমান অংশ নিচ্ছে। ১০০ ঘণ্টারও কম সময়ে ইরানের প্রায় দুই হাজার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে এবং হামলা অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ব্যাপক বোমাবর্ষণের জবাবে পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে ইরান। অ্যাডমিরাল কুপারের দাবি, তেহরান এখন পর্যন্ত ৫০০টির বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দুই হাজারের বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। তবে টানা হামলার মুখে ইরানের পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে বলেও দাবি করেছে পেন্টাগন।
এ ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। পরিস্থিতির পরবর্তী গতিপ্রকৃতির দিকে নজর রাখছে বিশ্ব সম্প্রদায়।