১৯৬৯ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মাশহাদ শহরে জন্ম নেওয়া মোজতবা খামেনি দীর্ঘ সময় ধরে ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে পর্দার আড়ালে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। মাধ্যমিক শিক্ষা শেষের পর ১৯৮৭ সালে তিনি ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীতে যোগ দিয়ে ইরান–ইরাক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
খামেনি ‘অফিস অফ দ্য সুপ্রিম লিডার’-এর একজন প্রভাবশালী দায়িত্বশীল হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বাবার দপ্তরে দীর্ঘ সময় কাজ করার মাধ্যমে তিনি সামরিক ও রাজনৈতিক স্তরে ব্যাপক যোগাযোগ স্থাপন করেন এবং ইরানের রাজনৈতিক কক্ষপথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
২০০৯ সালের নির্বাচনের পর আন্দোলন এবং ২০২২ সালে জিনা মাহসা আমিনীর মৃত্যুর পর শুরু হওয়া বিক্ষোভ দমন কার্যক্রমেও নিরাপত্তা বাহিনীকে কঠোরভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে তার সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে নানা সময়ে গণমাধ্যমে আলোচিত হয়েছে। ২০২২ সালের আগস্টে কোম সেমিনারের একটি মাধ্যমে তাকে ‘আয়াতুল্লাহ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল, যা অনেকেই তার উত্তরসূরি হওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে দেখেন।
বর্তমানে ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি এমন এক সময়েই দায়িত্ব নিলেন যখন ইরান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। দীর্ঘদিন পর্দার আড়ালে থাকার পর এখন থেকে তাকে দেশের শাসনপ্রক্রিয়া প্রকাশ্যে পরিচালনা করবেন।