সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘আজাদী পদযাত্রা’র আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি পুরো বাংলাদেশকে উল্লেখ করেন ‘আজাদ অঞ্চল’ হিসেবে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, 'আমরা বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য পাচ্ছি, প্রশাসন একটি দলের দিকে হেলে পড়েছে, সেই দলটি হলো বিএনপি। তারেক রহমান বাংলাদেশে এসেছেন, আমরা তাকে স্বাগত জানিয়েছি। কিন্তু প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী অফিস বাদ দিয়ে রোডের পাশে গিয়ে তারেক জিয়াকে সালাম বিনিময় করেছেন।'
তিনি আরও বলেন, 'এই ধরনের কর্মকাণ্ড আমরা শেখ হাসিনার আমলেও দেখেছি। বর্তমান বাংলাদেশে আমরা এমন দৃশ্য দেখতে চাই না।'
১১ দলীয় জোট প্রসঙ্গে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, 'আমাদের সামনে দুটি অপশন ছিল—গোলামির প্রতীক নেব, নাকি আজাদীর প্রতীক নেব। আমরা আজাদীর জোটে থেকে আজাদীর প্রতীক নিয়েছি। এই ১১ দলীয় জোট বাংলাদেশকে সব ধরনের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরাধীনতা থেকে মুক্ত করার লড়াই চালিয়ে যাবে।'
এর আগে, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
ঢাকা-৮ আসনসহ দেশব্যাপী কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, 'আজ থেকে রমনা, শাহবাগ, মতিঝিল, শাহজাহানপুরসহ পুরো বাংলাদেশকে আমরা আজাদ অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করলাম।'
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, 'প্রশাসন যদি চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী কিংবা আধিপত্যবাদের পক্ষে দাঁড়ায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও আপনারা প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন।'
নির্বাচনী আচরণবিধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, '২১ জানুয়ারির আগে আজাদী যাত্রায় কোনো প্রতীক ব্যবহার বা ভোট চাওয়ার কার্যক্রম থাকবে না। আচরণবিধি প্রত্যাহারের পর নিয়ম মেনেই প্রচারণা চালানো হবে।'
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ সহ জাতীয় ছাত্রশক্তির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।