হুথিদের হামলায় বিপর্যস্ত সৌদি, মার্কিন অস্ত্রেও মিলছে না সুরক্ষা

স
সদ্য সংবাদ ডেস্ক
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:১৯:০০
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিরক্ষা খাতে প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি ডলার ব্যয় করে সৌদি আরব। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কাছ থেকে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধব্যবস্থা এবং উন্নত সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করেও নিরাপত্তাঝুঁকি পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারছে না দেশটি। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো নতুন করে হুমকির মুখে পড়েছে। এতে দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতা এবং মার্কিন অস্ত্রের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

স্টকহোম আন্তর্জাতিক শান্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (এসআইপিআরআই) তথ্য অনুযায়ী, গত বছর প্রতিরক্ষা খাতে সৌদি আরবের ব্যয় ছিল ৮ হাজার ৩০০ কোটি ডলার। সামরিক ব্যয়ের দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষ দশ দেশের মধ্যে রয়েছে দেশটি। সৌদি বাহিনীর অস্ত্রভান্ডারে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি যুদ্ধবিমান, প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধব্যবস্থা এবং যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের উন্নত সামরিক সরঞ্জাম।

তারপরও দেশটির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার ঝুঁকি কমছে না। বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবের বিস্তীর্ণ ভূখণ্ডে ছড়িয়ে থাকা বিমানবন্দর, তেলক্ষেত্র, শোধনাগার ও পাইপলাইন একসঙ্গে সুরক্ষিত রাখা কঠিন। এর পাশাপাশি বিভিন্ন দিক থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের হুমকি মোকাবিলা করতে গিয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।

তিন দিক থেকে হামলার আশঙ্কা

সৌদি আরবের নিরাপত্তার জন্য পূর্ব দিকে ইরান, দক্ষিণে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী এবং উত্তরে ইরান-সমর্থিত ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। চলতি বছরের সংঘাতের তীব্র পর্যায়ে ইরান সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে প্রায় এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ইরান-সমর্থিত ইরাকি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন লক্ষ্য করে ড্রোন পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে। দক্ষিণে ইয়েমেনের পাহাড়ি অঞ্চল ও ভ্রাম্যমাণ উৎক্ষেপণব্যবস্থা ব্যবহার করে হুথিরা সৌদি ভূখণ্ডে হামলা চালানোর সক্ষমতা ধরে রেখেছে।

এমন পরিস্থিতিতে শুধু রাজধানী রিয়াদ কিংবা একটি তেল স্থাপনা রক্ষা করাই সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য যথেষ্ট নয়। দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সুরক্ষিত রাখতে হচ্ছে তাদের। আকাশপথে হামলা শনাক্ত করা, হুমকির মাত্রা নির্ধারণ এবং ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন প্রতিহত করার সিদ্ধান্ত নিতে হয় অল্প সময়ের মধ্যে।

সৌদি সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী অনেক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করতে পারছে। তবে কিছু অস্ত্র প্রতিরক্ষা বলয় ভেদ করে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছে যাচ্ছে। ফলে সীমিত প্রতিরক্ষাসম্পদ কোথায় এবং কীভাবে মোতায়েন করা হবে, তা নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।

একসঙ্গে একাধিক অস্ত্র ব্যবহার করছে হুথিরা

সৌদির প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে চাপে ফেলতে হুথিরা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও দূরপাল্লার ড্রোন একযোগে ব্যবহার করছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র দিয়ে একই সময়ে হামলা চালালে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার পক্ষে সব হুমকি শনাক্ত ও প্রতিহত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তুলনামূলক নিচু দিয়ে উড়তে পারে। ফলে ভূখণ্ডের গঠন ও রাডারের সীমাবদ্ধতার কারণে এগুলো শনাক্ত করা এবং গতিপথ অনুসরণ করা জটিল হয়ে উঠতে পারে। এ ছাড়া হুথিরা নতুন ধরনের কিছু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের দাবি করেছে, যেগুলো উড্ডয়নের সময় গতিপথ পরিবর্তন করতে সক্ষম।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হুথিদের হাটেম-২ ও প্যালেস্টাইন-২ ক্ষেপণাস্ত্রের নকশার সঙ্গে ইরানের তৈরি কিছু অস্ত্রের মিল রয়েছে। এগুলোর গতি ও লক্ষ্যভেদ করার সক্ষমতা নিয়েও আলোচনা রয়েছে।

গত বছর ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভেদ করে হুথিদের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের কাছে আঘাত হেনেছিল। প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার দূর থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটির লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর ঘটনা বিশ্লেষকদের নজর কেড়েছিল।

ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজেদ আল-নাজিলির দাবি, হুথিরা ইরানের তৈরি কিছু আকাশ প্রতিরক্ষাসংক্রান্ত অস্ত্র পরিবর্তন করে ব্যবহার করছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এসব অস্ত্র যুদ্ধবিমান ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে।

ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকলেও নিজস্ব লক্ষ্য হুথিদের

দীর্ঘদিন ধরে ইরানের নেতৃত্বাধীন ‘প্রতিরোধ অক্ষের’ অংশ হিসেবে পরিচিত হুথিরা। হিজবুল্লাহ, হামাস ও ইরাকের কয়েকটি ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী বিভিন্ন সংঘাতে দুর্বল হয়ে পড়লেও হুথিরা নিজেদের সামরিক অবস্থান ধরে রেখেছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

তেহরানের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তবে ইরানের সমর্থন পেলেও হুথিদের নিজস্ব রাজনৈতিক ও সামরিক স্বার্থ রয়েছে। ফলে তাদের প্রতিটি পদক্ষেপ সরাসরি ইরানের নির্দেশে পরিচালিত হয় কি না, তা নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।

২০১৫ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে দীর্ঘ সংঘাত চলে। ওই সময়ে ইয়েমেনের হুথি-নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে ব্যাপক মানবিক সংকট তৈরি হয়। অর্থনৈতিক ও পরিবহন অবরোধের প্রভাবও দীর্ঘস্থায়ী হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুলাইয়ে হুথিরা লোহিত সাগরে সৌদি জাহাজে হামলার হুমকি দেয়। এর পরপরই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা সামনে আসে। প্রাথমিক পর্যায়ে লোহিত সাগর উপকূলের সৌদি আরামকোর একটি তেল শোধনাগার এবং কয়েকটি বিমানঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

হুথিদের দাবি, ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীকে সমর্থন দিয়ে সৌদি আরবের চালানো বিমান হামলা বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিপূরণ হিসেবে সৌদি আরবের কাছ থেকে কয়েক শ কোটি ডলারও দাবি করছে গোষ্ঠীটি।

নিরাপত্তা নাকি সমঝোতা, কঠিন সমীকরণে রিয়াদ

হুথিদের সঙ্গে সংঘাত বাড়লেও সৌদি আরব দেশে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বজায় রাখার চেষ্টা করছে। তবে সাম্প্রতিক হামলাগুলো নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে সৌদি আরবের নাগরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার বিষয়ে মোবাইল ফোনে স্বয়ংক্রিয় সতর্কবার্তা পাঠানো বন্ধ করেছিল। এর পর রিয়াদের বিমানবন্দরে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা ঘটে। পরে আবার সতর্কবার্তা চালু করা হয় বলে কয়েকজন বাসিন্দা জানিয়েছেন।

সোমবার মোবাইল ফোনে সতর্কবার্তা কার্যকরভাবে পাওয়া যাচ্ছিল বলে তাঁদের ভাষ্য। একই দিন সৌদি কর্তৃপক্ষ তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানায়।

এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের সামনে দুটি বড় চ্যালেঞ্জ- একদিকে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অন্যদিকে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়া ঠেকানো। সামরিক পদক্ষেপ জোরদার করলে পাল্টা হামলার ঝুঁকি বাড়তে পারে, আবার সমঝোতার উদ্যোগেও নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার নিশ্চয়তা নেই।

আন্তর্জাতিক সহায়তার দিকে তাকিয়ে সৌদি আরব

হুথিদের মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে রিয়াদ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক মিত্ররা প্রতিরক্ষাসংক্রান্ত সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে। পাকিস্তান সৌদি আরবের প্রতিরক্ষায় কয়েক হাজার সেনা পাঠিয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। মিশরও প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।

ইরানের সঙ্গে সংঘাতের শুরুতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধব্যবস্থার ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় সৌদি আরবের অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ থেকে নতুন প্রতিরক্ষাসরঞ্জাম সংগ্রহের প্রয়োজন দেখা দিতে পারে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডারেও চাপ রয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের মহাপরিদর্শকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের মজুত কমিয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে নতুন অস্ত্র উৎপাদন ও সরবরাহে শিল্প খাতের সীমাবদ্ধতাও সামনে এসেছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে থাকায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সরাসরি সংঘাতে জড়ানোর বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। হুথিদের বিরুদ্ধে সরাসরি মার্কিন হামলার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেননি, যদিও সম্ভাবনাটি পুরোপুরি নাকচও করেননি।

ওয়াশিংটনের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের মাইকেল কাটনির মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন অবস্থান থেকে মিত্রদের মধ্যে এই ধারণা তৈরি হতে পারে যে, সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন তাদের পাশে নাও থাকতে পারে।

সব মিলিয়ে, সৌদি আরবের বিপুল সামরিক ব্যয় ও উন্নত অস্ত্রভান্ডার থাকা সত্ত্বেও হুথিদের হামলার হুমকি দেশটির প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা সামনে আনছে। এখন রিয়াদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো- আকাশ প্রতিরক্ষার সক্ষমতা বাড়ানো, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো সুরক্ষিত রাখা এবং একই সঙ্গে সংঘাতের বিস্তার ঠেকাতে কার্যকর কূটনৈতিক পথ খুঁজে বের করা।

সদ্য সংবাদ/এসকে

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. উত্তরা-আজমপুরে শ্রমিকদের অবরোধ প্রত্যাহার, স্বাভাবিক যান চলাচল সদ্য. ফের পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, বন্ধ যান চলাচল সদ্য. ডেঙ্গু মোকাবিলায় সপ্তাহে দুই দিন নিজ বাসাবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সদ্য. বিএনপির অতীতের সাফল্য রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নতুন উদ্যোগের অনুপ্রেরণা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সদ্য. বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপে ছত্রভঙ্গ সদ্য. নভেম্বরে রূপপুরের ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দেওয়ার চেষ্টা চলছে: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী সদ্য. সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুল হাই আর নেই সদ্য. মসজিদে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায়ে মক্কায় দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ সদ্য. সৌদির বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি হুতিদের সদ্য. বিক্ষোভে অংশগ্রহণের জেরে ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ সদ্য. উত্তরা-আজমপুরে শ্রমিকদের অবরোধ প্রত্যাহার, স্বাভাবিক যান চলাচল সদ্য. ফের পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, বন্ধ যান চলাচল সদ্য. ডেঙ্গু মোকাবিলায় সপ্তাহে দুই দিন নিজ বাসাবাড়ি পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সদ্য. বিএনপির অতীতের সাফল্য রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নতুন উদ্যোগের অনুপ্রেরণা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সদ্য. বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপে ছত্রভঙ্গ সদ্য. নভেম্বরে রূপপুরের ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দেওয়ার চেষ্টা চলছে: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী সদ্য. সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুল হাই আর নেই সদ্য. মসজিদে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায়ে মক্কায় দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ সদ্য. সৌদির বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি হুতিদের সদ্য. বিক্ষোভে অংশগ্রহণের জেরে ইমরান খানকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ