গণপূর্তে 'তিন পাণ্ডবের' ক্ষমতার দাপট, উঠছে একের পর এক অভিযোগ

সদ্য সংবাদ ডেস্ক
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:১৮:৪৭
সংগৃহীত

বদলি-পদায়ন থেকে শুরু করে টেন্ডার, পদোন্নতি ও বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ- গণপূর্ত অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে একটি প্রভাবশালী বলয়ের দাপট নিয়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত তিন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে কথিত এই বলয়। অধিদপ্তরের ভেতরে তাদের অনেকে ‘তিন পাণ্ডব’ নামে অভিহিত করেন।

অভিযোগের কেন্দ্রে থাকা তিন কর্মকর্তা হলেন সংস্থাপন শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মুহাম্মদ সারোয়ার জাহান, ঢাকা সার্কেল-১ থেকে সম্প্রতি বদলি হওয়া তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল আলম খান এবং ঢাকা সার্কেল-২- এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ড. আবু নাসের চৌধুরী।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এই তিন কর্মকর্তার প্রভাবের মাধ্যমে বদলি-পদায়নে আর্থিক লেনদেন, পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়া এবং টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের মতো ঘটনা ঘটেছে। এমনকি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ গণপূর্ত অধিদপ্তরের আওতায় আনার জন্য প্রকৌশলীদের কাছ থেকে তহবিল সংগ্রহের অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন।

বদরুলকে ঘিরে যত অভিযোগ

তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে অভিযোগের পরিধি সবচেয়ে বেশি বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। মন্ত্রীদের সরকারি বাংলো দ্রুত সংস্কারের কথা বলে টেন্ডার ছাড়াই পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ দেওয়া, প্রকৃত ব্যয়ের তুলনায় বেশি ব্যয় দেখানো এবং বিভিন্ন প্রকল্পে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এ ছাড়া প্রকল্পের অর্থছাড়ে অনিয়ম এবং সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এসব অভিযোগের পাশাপাশি সম্পদ অর্জন ও নারীঘটিত বিষয় নিয়েও তাকে নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে। চলতি মাসে মন্ত্রণালয়ের আদেশে তাকে বদলি করে রিজার্ভে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, সাভার সার্কেলে দায়িত্ব পালনের সময় নিজের আস্থাভাজন নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হেজবুল কবিরকে গাজীপুরে দায়িত্ব দিয়ে ঠিকাদারদের সঙ্গে বিভিন্ন কাজের সমন্বয় করতেন বদরুল। তার বিরুদ্ধে সরকারি চাকরির পাশাপাশি ডেভেলপার ব্যবসা ও বিভিন্ন সম্পদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে। রাজধানীর উত্তর বাসাবো, উত্তরা ও বাড্ডা এবং গাজীপুরে সম্পদ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিকানার বিষয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এসব সম্পদের কিছু স্বজনদের নামে থাকলেও এর পেছনে বদরুলের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

গাজীপুরে দায়িত্ব পালনকালে বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এর মধ্যে প্রায় ৫ কোটি টাকার কৃষি বিপণন ভবন, ১৫ কোটি ৪১ লাখ টাকার বিএসটিআই সিভিল, ২০ কোটি ২৪ লাখ টাকার মেট্রোপলিটন সদর থানা, ১৪ কোটি ৬১ লাখ টাকার সদর উপজেলা মডেল মসজিদ, প্রায় ১০ কোটি টাকার কালিয়াকৈর থানা, ১৬ কোটি ২৪ লাখ টাকার পুবাইল থানা এবং প্রায় ১৫ কোটি ৮২ লাখ টাকার কোনাবাড়ী থানা নির্মাণ প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

গাজীপুরের তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অডিটোরিয়াম নির্মাণ নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত ব্যয় কমানোর নির্দেশনা উপেক্ষা করে অন্য খাতের অর্থ দিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। প্রকল্পের ঠিকাদারকে প্রায় ৪ কোটি টাকা অগ্রিম বিল দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও কাজ শেষ হয়নি বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। কাজ শেষ করতে আরও ৬ থেকে ৮ কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে বলেও তাদের দাবি।

মিরপুরের পাইকপাড়া আবাসিক প্রকল্প এবং পুলিশের ১০৭ থানা নির্মাণ প্রকল্পের ভাসানটেক থানার কাজেও কমিশনের বিনিময়ে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এর আগে ময়মনসিংহে ভবনের নকশা অনুমোদনে অনিয়মের অভিযোগে তাকে ওএসডি করা হয়েছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রয়েছে নারীঘটিত অভিযোগও

বদরুল আলমের বিরুদ্ধে কয়েকজন নির্বাহী প্রকৌশলী নারীঘটিত বিষয় ব্যবহার করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেছেন। তাদের দাবি, পরিচিত নারীদের মাধ্যমে প্রকৌশলীদের সঙ্গে যোগাযোগ করানোর পর তাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি বা ব্ল্যাকমেইলের পরিস্থিতিতে ফেলা হতো। পরে বিষয়টি মীমাংসার নামে ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

খুলনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আতিকুল ইসলামও এ ধরনের একটি ঘটনার কথা জানিয়েছেন। তার ভাষ্য, ঢাকায় দায়িত্ব পালনকালে এক নারী তাকে ফোন করে বিভিন্নভাবে ব্ল্যাকমেইল করেন। ওই নারীর সঙ্গে বদরুল আলমের পরিচয় রয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। পরে বিষয়টি সমাধানের জন্য বদরুল তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে দাবি করেন আতিকুল।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুল আলম খানকে একাধিকবার ফোন এবং হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বদলি প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন

প্রধান প্রকৌশলীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আরেক কর্মকর্তা মুহাম্মদ সারোয়ার জাহান বর্তমানে সংস্থাপন শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার বিরুদ্ধে মূলত বদলি-পদায়নকে কেন্দ্র করে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সম্প্রতি বদলি-বাণিজ্য বন্ধে মন্ত্রণালয় লটারির মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম শুরু করলেও লটারির আগে উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (সিভিল) পদে ঢাকা জেলার জন্য নির্ধারিত বাক্সে ৪১ জনের নাম যুক্ত করার ঘটনায় সারোয়ারের ভূমিকা ছিল।

এর আগে গাজীপুর গণপূর্ত বিভাগে নির্বাহী প্রকৌশলী থাকাকালে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ১০ লাখ টাকার সিকিউরিটি মানির পে-অর্ডার অবৈধভাবে নগদায়নের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। ঠিকাদারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে গণপূর্ত অধিদপ্তর। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা করা হয় বলে জানা গেছে।

তবে পরবর্তী সময়ে শাস্তির পরিবর্তে পদোন্নতি পেয়ে তিনি অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাপন শাখার দায়িত্ব পান বলে অভিযোগ রয়েছে। গত ৩ মার্চ এক দিনে ৫০ জনের বেশি প্রকৌশলীকে বদলি করার ঘটনাও বিতর্কের জন্ম দেয়। ওই বদলিতে নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি এবং পছন্দের কর্মস্থলে পদায়নের বিনিময়ে আর্থিক লেনদেন হয়েছে- এমন অভিযোগ ওঠে। পরে মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপে ওই গণবদলির আদেশ স্থগিত করা হয়।

এর আগে গত বছরের ৯ ডিসেম্বর আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে কয়েকজন উপসহকারী প্রকৌশলীকে বদলির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের পর মো. হাসানুজ্জামান, মো. খাইরুল ইসলাম ও মো. এরশাদুল হকের বদলি আদেশ স্থগিত করা হয়। সারোয়ার জাহানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনেও অভিযোগ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সারোয়ার জাহান। তিনি বলেন, বদলির সব বিষয় মন্ত্রণালয় জানে। লটারির বাক্সে আগে থেকেই নাম লিখে রাখার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এসব কিছু জানি না। মন্ত্রণালয় বদলি করেছে, তারাই সব জানে।’

আবু নাসেরের বিরুদ্ধেও অভিযোগ

ঢাকা সার্কেল-২- এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ড. আবু নাসের চৌধুরীকেও প্রধান প্রকৌশলীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্ট কয়েকজন প্রকৌশলী। তাদের অভিযোগ, অধিদপ্তরে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে তিনি প্রধান প্রকৌশলীর পরামর্শকের মতো ভূমিকা পালন করেন।

তার বিরুদ্ধে কাজের অগ্রগতির তুলনায় বেশি বিল দেওয়া, অতিরিক্ত ব্যয় এবং পরিচিত ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে নির্বাহী প্রকৌশলীদের ওপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগ রয়েছে। সরকারি অর্থের অপচয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে তার আওতাধীন সার্কেলের কাজে শতাধিক অডিট আপত্তি রয়েছে বলেও দাবি সংশ্লিষ্টদের।

ঢাকা সার্কেল-২- এর আওতায় সচিবালয়, হাইকোর্ট ও আশপাশের সরকারি হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব স্থাপনার মেরামত ও অন্যান্য কাজে পরিচিত ঠিকাদারদের কাজ দেওয়ার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলীদের নির্দেশনা দেওয়া হতো। হাসপাতালের মেরামতকাজের বিল বাড়িয়ে দেখানোর অভিযোগও রয়েছে।

এ ছাড়া বগুড়ায় দায়িত্ব পালনের সময় টেন্ডার জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন আবু নাসের চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘স্যার আমাকে বগুড়া থেকে ঢাকা নিয়ে এসেছেন; কিন্তু কোনো সিন্ডিকেট-অনিয়মের সঙ্গে আমি জড়িত নই।’

মন্ত্রণালয়ের নজরদারিতে

গণপূর্ত অধিদপ্তরের কথিত এই বলয় নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, প্রধান প্রকৌশলীকে ঘিরে সিন্ডিকেট এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিষয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তারা শুনছেন। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় লেখালেখিও হচ্ছে এবং মন্ত্রণালয় তা পর্যবেক্ষণ করছে।

তিনি জানান, বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে এরই মধ্যে একজন কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়েছে। অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে অন্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি এখন মন্ত্রণালয়ের নজরদারিতে রয়েছে।

সদ্য সংবাদ/এসকে

অপরাধ ব্রেকিং

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. হানাহানি বা সংঘাত নয়, সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সদ্য. গণপূর্তে 'তিন পাণ্ডবের' ক্ষমতার দাপট, উঠছে একের পর এক অভিযোগ সদ্য. রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস জাপানের সদ্য. আমার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম সদ্য. রাষ্ট্রপতির হাতে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সদ্য. ইউনেস্কোর অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ফ্রান্সে শিক্ষামন্ত্রী সদ্য. বিকেলে বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভে নামছে জামায়াত সদ্য. ঊর্ধ্বমুখী দেশের রিজার্ভ, ৩৬ বিলিয়ন ডলারের নতুন মাইলফলক সদ্য. ডিএমপির প্রশাসনে রদবদল, ২ উপ-পুলিশ কমিশনারকে বদলি সদ্য. কমেছে স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি কত? সদ্য. হানাহানি বা সংঘাত নয়, সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সদ্য. গণপূর্তে 'তিন পাণ্ডবের' ক্ষমতার দাপট, উঠছে একের পর এক অভিযোগ সদ্য. রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস জাপানের সদ্য. আমার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম সদ্য. রাষ্ট্রপতির হাতে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সদ্য. ইউনেস্কোর অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ফ্রান্সে শিক্ষামন্ত্রী সদ্য. বিকেলে বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভে নামছে জামায়াত সদ্য. ঊর্ধ্বমুখী দেশের রিজার্ভ, ৩৬ বিলিয়ন ডলারের নতুন মাইলফলক সদ্য. ডিএমপির প্রশাসনে রদবদল, ২ উপ-পুলিশ কমিশনারকে বদলি সদ্য. কমেছে স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি কত?