স্থানীয় পুলিশ মরদেহ শনাক্তের পর তা ফিউনারেল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছে। শনিবার (২ মে) সকালে টাম্পা পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে মরদেহটি বুঝিয়ে দেয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনি ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার পিএইচডি শিক্ষার্থী বৃষ্টির অকাল মৃত্যুতে ফ্লোরিডাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও বিরাজ করছে গভীর শোক ও ক্ষোভ।
এদিকে, নিহত দুই শিক্ষার্থী বৃষ্টি ও জামিলের পরিবারের সহায়তায় সহপাঠী ও বন্ধুরা ‘গোফান্ডমি’র মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করছেন। ইতোমধ্যে প্রায় পৌনে দুই লাখ ডলার সংগ্রহ হয়েছে বলে জানা গেছে। আয়োজকদের আশা, প্রতিটি পরিবারকে অন্তত এক লাখ ডলার করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া সম্ভব হবে।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জামিলের রুমমেট হিশাম ঘারবেহ পরিকল্পিতভাবে এই জোড়া হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তাকে গ্রেফতারের পর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে দেশটির আদালত।
ঘটনার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসজুড়ে শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে। কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে একটি বিশেষ স্মরণসভার আয়োজন করেছে। একইসঙ্গে অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সটির নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, গত এপ্রিলের শেষদিকে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা প্রকাশ্যে এলে বিশ্বজুড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।