সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের নিয়োগ ও পদায়ন প্রক্রিয়ার সময়সূচি চূড়ান্ত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচিতদের নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। পরে ১ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ে যোগদান করতে হবে তাঁদের। এরপর ৪ অক্টোবর চূড়ান্ত পদায়নের আদেশ জারি করা হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ শাখা থেকে এ বিষয়ে প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়ে মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থীর নিয়োগপত্র দেওয়া সম্ভব না হলে এর কারণ, কোটাসংক্রান্ত তথ্য ও মতামত উল্লেখ করে বিস্তারিত তালিকা ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।
নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কবে শুরু হবে, সে বিষয়ে পরে সময়সূচি জানানো হবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
চূড়ান্ত নিয়োগপত্র দেওয়ার আগে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাতীয়তা ও বয়সের মূল সনদসহ সংশ্লিষ্ট সব নথি কঠোরভাবে যাচাই করতে বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির শর্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর সাধারণ প্রার্থীদের বয়স ২১ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে থাকার কথা। বয়সের প্রমাণ হিসেবে কোনো ধরনের এফিডেভিট গ্রহণ করা হবে না।
এ ছাড়া জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্বাস্থ্যগত সনদ এবং ডোপ টেস্টের প্রতিবেদন যাচাই করে নিশ্চিত হওয়ার পরই চূড়ান্ত নিয়োগের আদেশ দিতে বলা হয়েছে।
পুলিশ ভেরিফিকেশন বা জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তদন্ত প্রতিবেদনে কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্য পাওয়া গেলে তাঁর নিয়োগ আদেশ স্থগিত রাখা হবে। একইভাবে ডোপ টেস্টের প্রতিবেদনে অসংগতি পাওয়া গেলেও নিয়োগের আদেশ স্থগিত থাকবে।
পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় গত ৯ জানুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন।
সব প্রক্রিয়া শেষে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। ওই ফলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছিল।
সদ্য সংবাদ/ এআর