ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলের সামনে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোরেল স্টেশনের কাছেও আরেকটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। তবে এসব ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইসরাফিল রতন জানান, বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সহকারী প্রক্টরদের পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, পুলিশ ও সহকারী প্রক্টররা সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় কাজ করছেন। তবে কারা এসব বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে রাতেই তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে ছাত্রদল। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন উপস্থিত থাকবেন।
এর আগে একই দিন দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের সড়কসংলগ্ন প্রধান ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর কিছুক্ষণ আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
সুপ্রিম কোর্টের সামনে বিস্ফোরণের ঘটনাটিও তদন্তাধীন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য, শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিরা আওয়ামী লীগের দুষ্কৃতকারী হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে সরকার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
সদ্য সংবাদ/ এআর