বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (৩ মার্চ) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৭০ ডলার বেড়ে ৭৯ দশমিক ৪৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ, তেলের দাম ২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে।
এর আগে, সোমবার লেনদেন চলাকালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮২ দশমিক ৩৭ ডলার পর্যন্ত ওঠে, যা গত বছরের জানুয়ারির পর সর্বোচ্চ। দিনশেষে এ তেলের দাম ৬ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে বাজার বন্ধ হয়।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ১৭ ডলার বা ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৭২ দশমিক ৪০ ডলারে পৌঁছেছে। আগের সেশনে এ তেলের দাম ৬ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল।
বাজার বিশ্লেষণী প্রতিষ্ঠান আইজি গ্রুপের বিশ্লেষক টনি সিকামোর রয়টার্সকে বলেন, 'বর্তমান পরিস্থিতিতে উত্তেজনা কমার তেমন কোনো ইঙ্গিত নেই। হরমুজ প্রণালী কার্যত অচল হয়ে পড়েছে এবং ইরান আঞ্চলিক জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দিচ্ছে। ফলে সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে।'
এদিকে, জ্বালানি তেলের পাশাপাশি প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও বেড়েছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গ্যাস রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান কাতার এনার্জি তাদের একটি স্থাপনায় সামরিক হামলার পর উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতি বিশ্লেষকরা।