ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা হাঁস প্রতীকে বড় ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৩৭ হাজার ৫৬৮ ভোট বেশি পেয়েছেন।
১৫১টি কেন্দ্রের সব কটির ফলাফলে রুমিন ফারহানা পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৯৫ ভোট। তাঁর নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব খেজুরগাছ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯২৭ ভোট।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু বকর সরকার বেসরকারিভাবে রুমিন ফারহানাকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৪৪৮ জন। ভোট পড়েছে ৪৪ দশমিক ৮ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ভোটগ্রহণ শেষ হয়। একটি কেন্দ্রে দুই প্রার্থীর কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় প্রায় পাঁচ মিনিট ভোটগ্রহণ বন্ধ ছিল। দুই প্রার্থীর কেন্দ্র পরিদর্শনকে ঘিরে আরও দুটি কেন্দ্রে কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এ ছাড়া সরাইল উপজেলা সদরের কাচারিপাড়া এলাকায় সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম মিলনায়তন ভোটকেন্দ্রে সকাল আটটার দিকে ২ নম্বর বুথের পোলিং কর্মকর্তা মো. মুজাহিদুল ইসলাম (৪৮) অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ৯ জন প্রার্থী থাকলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৮ জন। এখানে মূল লড়াই হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ও বিএনপি জোটের প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের মধ্যে। জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউল হক মৃধা গত রোববার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।