নাছির উদ্দিন নাছির বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আসিফ মাহমুদ নেতৃত্ব দিয়েছেন এটা যেমন সত্য, তেমনি গণঅভ্যূত্থানের পরবর্তী সময়ে উপদেষ্টা হয়ে তিনি হাজার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি করেছেন, এটাও সত্য। বাংলাদেশের মানুষ এটা জানে।’
নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্ন করে ছাত্রদলের এই নেতা বলেন, ' আমরা যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি, সেই নতুন বাংলাদেশে আমরা কখনোই জামায়াত-শিবির-রাজাকারকে ক্ষমতায় আনার জন্য পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে যে চেষ্টা করা হচ্ছে, তা আমরা মেনে নেব না। জামায়াতের নামে কেন এই পোস্টাল ব্যালট পেপার, তার কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন।'
দু'টি দল নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে অভিযোগ করে নাছির বলেন, 'আগামীর যে নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি হওয়ার কথা রয়েছে, দুইটি রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। জুলাই-আগস্টে নেতৃত্বদানকারী ছাত্রসংস্থা, জুলাই-আগস্টের সম্মুখসারির যোদ্ধা, যিনি ছাত্র প্রতিনিধি হয়ে উপদেষ্টা হয়ে তিনি হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি করেছেন।বাংলাদেশে আসিফ মাহমুদের হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির বিষয়টি এখন ওপেন সিক্রেট।'
ছাত্রদলের তিনটি ইস্যু হচ্ছে:
- পোস্টাল ব্যালট–সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট ও প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা নির্বাচনপ্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর সংশয় সৃষ্টি করেছে।
- বিশেষ একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর চাপের মুখে দায়িত্বশীল ও যৌক্তিক সিদ্ধান্তের পরিবর্তে হঠকারী ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে ইসি, যা কমিশনের স্বাধীনতা ও পেশাদারত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
- বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ প্রভাব ও হস্তক্ষেপে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন বিষয়ে ইসি নজিরবিহীন ও বিতর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য অশনিসংকেত।