রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) সম্প্রতি এক নীতিগত নির্দেশনার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ ইতোমধ্যে মানবাধিকার ও অভিবাসী সহায়তাকারী বিভিন্ন সংস্থার সমালোচনার মুখে পড়েছে।
মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এবং ইউএসসিআইএসের দাবি, নতুন এই নীতি অভিবাসন ব্যবস্থার ফাঁকফোকর বন্ধ করবে এবং আইন অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা সহজ করবে। একই সঙ্গে আবেদন প্রক্রিয়ার চাপ কমে আসায় জরুরি অন্যান্য মামলার নিষ্পত্তিও দ্রুত করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে কোনো আবেদনকারীকে ছাড় দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে প্রতিটি মামলা আলাদাভাবে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।
এদিকে অভিবাসী ও শরণার্থী সহায়তাকারী সংস্থা (হায়াস) এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে। সংস্থাটির মতে, মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি, নির্যাতিত শিশু এবং সহিংসতা থেকে পালিয়ে আসা মানুষদের জন্য এই নিয়ম মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করবে। কারণ, গ্রিন কার্ডের আবেদন করতে গিয়ে তাদের আবারও সেই বিপজ্জনক দেশগুলোতে ফিরে যেতে বাধ্য হতে হবে, যেখান থেকে তারা জীবন বাঁচাতে পালিয়ে এসেছিল।
অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরোপের ধারাবাহিকতায় ট্রাম্প প্রশাসনের এটি সর্বশেষ সংযোজন। এর আগে শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির অংশগ্রহণকারী এবং বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের ভিসার মেয়াদ কমানো হয়েছিল। এছাড়া ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর এক বছরের মধ্যে এক লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।