সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। তাদের নিয়োগপ্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে ধাপে ধাপে সময়সীমা নির্ধারণ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়ার কথা রয়েছে। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থীদের নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদান ও পদায়নের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
সূচি অনুযায়ী, নিয়োগপত্র হাতে পাওয়ার পর নির্বাচিত সহকারী শিক্ষকদের আগামী ১ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করতে হবে। যোগদানের পরপরই শুরু হবে বিদ্যালয়ে পদায়নের প্রক্রিয়া।
মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ৪ অক্টোবর পদায়নের আদেশ জারি করা হবে। এর মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষকদের কোন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দায়িত্ব দেওয়া হবে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এই নিয়োগের জন্য প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয় চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি। পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এমসিকিউ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্য থেকে ৬৯ হাজার ২৬৫ জনকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়।
পরে জেলা পর্যায়ে ধাপে ধাপে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। সব ধাপ শেষ হওয়ার পর গত ৮ ফেব্রুয়ারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়।
চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত এসব প্রার্থীকে এখন মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করে নিয়োগপ্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ সম্পন্ন করতে হবে। প্রথমে নিয়োগপত্র, এরপর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান এবং সবশেষে বিদ্যালয়ে পদায়নের মাধ্যমে তাদের নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ হবে।
ফলে দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগের অপেক্ষায় থাকা ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর জন্য আগামী কয়েক দিন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী কার্যক্রম এগোলে অক্টোবরের শুরুতেই তারা আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
সদ্য সংবাদ/এসকে