জামায়াত-শিবিরের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও বিরোধী দল হিসেবে তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি দাবি করেছেন, বর্তমান অবস্থায় তাদের নিয়ন্ত্রণে না রাখা হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন।
পোস্টে তিনি রাজশাহীতে ছাত্রদলের ওপর হামলা ও তাদের এলাকা ছাড়ার প্রসঙ্গ তুলে প্রশ্ন করেন, যারা একসময় ছাত্রলীগের ভয়ে আত্মগোপনে ছিলেন বা ছাত্রলীগের পরিচয়ে টিকে ছিলেন, তারা কীভাবে ছাত্রদলকে মারধর করে রাজশাহী থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।
রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, ছাত্রদল রাজপথে সক্রিয় না থাকলে ছাত্রলীগ আবার জামায়াত-শিবিরকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করে ফেলতে পারে। এ বাস্তবতা সংশ্লিষ্টদের বুঝতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জামায়াত-শিবিরের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী। তার দাবি, বিরোধী অবস্থানে থেকেই তারা সরকারি দলের নেতাকর্মীদের ওপর কঠোর আচরণ করছে এবং ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে তাদের ভূমিকা কেমন হতে পারে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
শেখ হাসিনার সরকারের সময়কার রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা টেনে রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াত-শিবিরও একই ধরনের রাজনৈতিক পথ অনুসরণ করছে বলে তিনি মনে করেন। তার অভিযোগ, বিএনপিকে ক্ষমতায় শান্তিতে থাকতে না দেওয়ার যে অবস্থান শেখ হাসিনা নিয়েছিলেন, জামায়াত-শিবিরও সেই পথ অনুসরণ করছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জামায়াত-শিবিরকে কোনো ধরনের ছাড় দিয়ে দেশ পরিচালনার সুযোগ তৈরি করা ঠিক হবে না।
সবশেষে রাশেদ খাঁন সতর্ক করে বলেন, জামায়াত-শিবিরের কর্মকাণ্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা না গেলে তারা শেখ হাসিনার সরকারের চেয়েও ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে।
তার এসব মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে পোস্টে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগ ও রাজনৈতিক মূল্যায়নের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
সদ্য সংবাদ/এসকে