ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলার ঘোষণা মামদানির

সদ্য সংবাদ ডেস্ক
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:৫৪:১০
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের জন্য কার্যকর হতে যাওয়া নতুন ‘পাবলিক চার্জ’ বিধির বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করার ঘোষণা দিয়েছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। নতুন বিধি কার্যকর হলে সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণকারী অভিবাসীদের গ্রিন কার্ডের আবেদন প্রত্যাখ্যানের সুযোগ পাবেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

সোমবার ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন বিধির বিরোধিতা করে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ঘোষণা দেন মামদানি। নিউইয়র্ক সিটির নেতৃত্বে হতে যাওয়া এই মামলায় শিকাগো, সান ফ্রান্সিসকো, সান্তা ক্লারা কাউন্টি, সিয়াটল, ওয়াশিংটনের কিং কাউন্টি এবং ‘পাবলিক রাইটস প্রজেক্ট’ বাদী হিসেবে থাকছে।

নিউইয়র্ক সিটির কর্মকর্তাদের অভিযোগ, নতুন ফেডারেল ‘পাবলিক চার্জ’ বিধিতে প্রয়োজনীয় স্পষ্ট সংজ্ঞা ও সুরক্ষামূলক নির্দেশনা নেই। তাঁদের ভাষায়, এটি অভিবাসী পরিবারগুলোর ওপর ‘একটি আঘাত’।

তবে নতুন বিধির পক্ষে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির যুক্তি, আগামী শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই নীতির লক্ষ্য হলো অভিবাসীদের স্বাবলম্বী করা। একই সঙ্গে করদাতাদের অর্থে পরিচালিত সরকারি সুবিধার ওপর অভিবাসীরা যাতে অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হয়ে পড়েন, সেটিও নিশ্চিত করতে চায় কর্তৃপক্ষ।

নতুন বিধির আওতায় কোনো অভিবাসী সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন কি না, তা নির্ধারণের সময় বয়স, স্বাস্থ্য, পারিবারিক পরিস্থিতি, আর্থিক অবস্থা, শিক্ষা ও দক্ষতার মতো বিষয় বিবেচনা করতে পারবেন অভিবাসন কর্মকর্তারা।

তবে সরকারি সহায়তা নেওয়া কোনো অভিবাসীর গ্রিন কার্ডের আবেদন বা ভিসা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে না। প্রতিটি আবেদনকারীর সামগ্রিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মামদানি বলেন, নতুন ‘পাবলিক চার্জ’ বিধির মাধ্যমে অভিবাসী পরিবারগুলোকে এমন সব কর্মসূচি থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে, যেগুলো কয়েক দশক ধরে মানুষকে খাবার ও স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ দিয়ে আসছে।

তিনি বলেন, এর ফলে নিউইয়র্কের বাসিন্দারা চিকিৎসকের কাছে যাওয়া কিংবা আইনগতভাবে প্রাপ্য সরকারি সহায়তা নেওয়ার ক্ষেত্রেও ভয় পেতে পারেন। তাঁর মতে, এই আতঙ্ক শুধু ফেডারেল সরকারের নজরে থাকা পরিবারগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং বৈধভাবে সুবিধা পাওয়ার যোগ্য পরিবারগুলোকেও এর প্রভাব মোকাবিলা করতে হবে। শেষ পর্যন্ত এর খেসারত নিউইয়র্কের সব বাসিন্দাকেই দিতে হবে।

সদ্য সংবাদ/ এআর

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একটি নয়, দুটি আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে: নয়াদিল্লি সদ্য. গণতন্ত্র রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি সদ্য. মানবতাবিরোধী অপরাধে নাছিম-আরাফাত-পরশসহ ৭ শীর্ষ নেতার মৃত্যুদণ্ড সদ্য. ঢাবির এক হলের পাশে ককটেল বিস্ফোরণ সদ্য. ডিজিএফআইয়ের সাবেক ডিজি ও তার স্ত্রী-শ্যালকের কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান সদ্য. হুতি হামলায় বড় ধাক্কা, ইউরোপে তেল সরবরাহ স্থগিত করল সৌদি আরামকো সদ্য. নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো আজ সিলেট সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি সদ্য. ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কেন ভারতে যাইনি?’, ব্যাখ্যা দিলেন আসিফ নজরুল সদ্য. পুলিশের আট কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন সদ্য. কাদেরসহ ৫ জনের অর্ধেক সম্পত্তি যাবে জুলাইয়ের শহীদ পরিবারের কাছে সদ্য. প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একটি নয়, দুটি আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে: নয়াদিল্লি সদ্য. গণতন্ত্র রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি সদ্য. মানবতাবিরোধী অপরাধে নাছিম-আরাফাত-পরশসহ ৭ শীর্ষ নেতার মৃত্যুদণ্ড সদ্য. ঢাবির এক হলের পাশে ককটেল বিস্ফোরণ সদ্য. ডিজিএফআইয়ের সাবেক ডিজি ও তার স্ত্রী-শ্যালকের কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান সদ্য. হুতি হামলায় বড় ধাক্কা, ইউরোপে তেল সরবরাহ স্থগিত করল সৌদি আরামকো সদ্য. নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো আজ সিলেট সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি সদ্য. ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কেন ভারতে যাইনি?’, ব্যাখ্যা দিলেন আসিফ নজরুল সদ্য. পুলিশের আট কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন সদ্য. কাদেরসহ ৫ জনের অর্ধেক সম্পত্তি যাবে জুলাইয়ের শহীদ পরিবারের কাছে