বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার একদিনের মধ্যেই রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি। শনিবার বিকেলে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার কথা জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিয়ের পিঁড়িতে বসেন চাকসু ভিপি। এর পরদিন শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজের ফেসবুক পোস্টে লংমার্চে অংশ নেওয়ার বিষয়টি জানান তিনি।
ফেসবুক পোস্টে ইব্রাহিম হোসেন রনি জানান, বিকেল ৫টায় লালদীঘি ময়দানে তিনি উপস্থিত থাকবেন। ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামমুখী লংমার্চের সমাবেশে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।
১১ দলীয় ঐক্য ছয় দফা দাবিকে সামনে রেখে শনিবার থেকে নতুন ধারাবাহিক কর্মসূচি শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবেই ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ এবং চট্টগ্রাম নগরীর লালদীঘি ময়দানে কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
চাকসু ভিপি বলেন, এই লংমার্চকে শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে দেখলে হবে না; এর মাধ্যমে জনগণের বিভিন্ন দাবি ও প্রত্যাশার প্রতি দায়িত্বশীলতার প্রকাশ ঘটছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার এবং বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকটের স্থায়ী সমাধানের দাবি তাদের কর্মসূচির অন্যতম বিষয়।
এ ছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং দলীয় সংকীর্ণতার অবসানসহ ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে তারা রাজপথে কর্মসূচি পালন করছেন বলে জানান তিনি।
ইব্রাহিম হোসেন রনির ভাষ্য, জনগণের অধিকার ও প্রত্যাশার প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। লংমার্চের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের কাছে জনগণের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার বার্তা দেওয়া হচ্ছে। জনগণের ন্যায্য দাবি উপেক্ষা করে কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সদ্য সংবাদ/এসএস