নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস–২০২৫। দিবসটি উপলক্ষে রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।
শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হনিফ এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী।
শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, “একটি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হলো তার বুদ্ধিজীবীরা। বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে যখন জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, তখন একটি জাতির হারানোর আর কিছুই থাকে না। একটি জাতি বুদ্ধিজীবীদের মেধা, বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তা এবং গঠনমূলক আলোচনা-সমালোচনার মাধ্যমেই সামনে এগিয়ে যায়।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা ১৪ ডিসেম্বর জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারিয়েছি। আমি তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি। শহীদ বুদ্ধিজীবীরা বেঁচে থাকলে দেশ আরও অনেক দূর এগিয়ে যেত। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে আমরা যদি আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের মাধ্যমে মেধাবীদের লালন করতে পারি, তাহলে ভবিষ্যতে এমন একটি প্রজন্ম গড়ে উঠবে, যারা জ্ঞান ও মেধার মাধ্যমে জাতিকে নেতৃত্ব দেবে।”
তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক ও মেধাভিত্তিক নেতৃত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমরা একটি সুন্দর বিশ্ববিদ্যালয় গড়তে চাই। এজন্য যার যার অবস্থান থেকে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হনিফ এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী। কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
প্রসঙ্গত, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের প্রথম প্রহর রাত ১২টা ১ মিনিটে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইলের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্ল্যাক আউট ও মোমবাতি প্রজ্বালন কর্মসূচি পালন করা হয়। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।