মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে জরুরি সিন্ডিকেট সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে নির্ধারিত তফশিল অনুযায়ী, আজ সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে সকালে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জরুরি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করে। সভা শেষে নির্বাচন স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ ঘোষণার পরপরই শিক্ষার্থী ও প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন এবং পরে উপাচার্য ভবনের ফটক অবরোধ করে অবস্থান নেন।
বামজোট সমর্থিত ‘মৌলানা ভাসানী ব্রিগেড’ প্যানেলের জিএস পদপ্রার্থী ইভান তাহসীব বলেন, 'কোনোভাবেই নির্বাচন স্থগিত করা যাবে না। আমরা আমাদের নির্বাচন আদায় করে নেব। এই স্থগিতাদেশ আমরা মানি না। একজন শিক্ষার্থীও ভোট না দিয়ে ক্যাম্পাস ছাড়বে না।'
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, 'জকসু কোনো রাজনৈতিক নির্বাচন নয়। এটার ভিত্তিতে নির্বাচন স্থগিত করা অযৌক্তিক। আমরা ভোট দিতে এসেছি, ভোট না দিয়ে যাব না। আজ যদি নির্বাচন স্থগিত হয়, তাহলে ভবিষ্যতে আর নির্বাচন হবে না।'
নির্বাচন স্থগিতের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তবে নতুন নির্বাচনী তারিখ এখনো ঘোষণা করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।