সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের জিয়া হায়দার ল্যাব (পুরাতন কলা ভবন) এর সামনে নাট্যোৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নাট্যোৎসবের উদ্বোধন করেন।
প্রধান অতিথি তাঁর উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, ‘নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থীরা সমাজের যেকোন বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠীকে একত্রিত করার সক্ষমতা অর্জন করেছে। সাহিত্য, নাটক, সিনেমা এগুলো হলো সমাজের দর্পণ। সমাজের সকল ধরণের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সহজ ও আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরা হয় নাটকের মাধ্যমে। এর ফলে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ বুঝতে পারে। এই নাটক যেহেতু তোমাদের পরীক্ষার অংশ তাই এটা তোমাদের জন্য একটা প্রশিক্ষণ। তবে ভবিষ্যতে তোমরা আরো ভালো কিছু আমাদের সমাজের জন্য উপহার দিতে পারবে। সমাজের অবিচার, অনাচার এবং অবহেলিত বিষয়গুলো এবং গ্রামীণ সমাজের সংস্কৃতিকে সকল শ্রেণির মাঝে তুলে ধরতে পারবে। আমি আশা করি তোমাদের পারফরমেন্সের মাধ্যমে জাতীয় কবির নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেক উপরে নিয়ে যাবে।’
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের সংশ্লিষ্ট কোর্স শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক নুসরাত শারমিন। সভাপতিত্ব করেন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. ইসমত আরা ভূঁইয়া ইলা। নাট্যোৎসবের উদ্বোধনী পর্ব সঞ্চালনা করেন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাজহারুল হোসেন তোকদার।
দিবসটি উপলক্ষ্যে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবন থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরনো কলা ভবনে এসে শেষ হয়। ১০ম নাট্যোৎসবে প্রতিদিন দুইটি করে সাতদিনে মোট ১৪টি নাটক পরিবেশিত হবে।
প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টা এবং রাত ৮:৩০ টায় নাটক আরম্ভ হবে। বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের নির্দেশনা, পরিচালনা ও অংশগ্রহণে এই নাটকগুলো মঞ্চায়িত হচ্ছে।
সদ্য সংবাদ/মো. শাহিদুল ইসলাম সবুজ