বুধবার (৬ মে) একটি লাইভ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান ফক্স নিউজের সাংবাদিক ব্রেট বায়ার। বিষয়টি জানিয়েছে তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।
তবে বায়ার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্প আশাবাদী হলেও সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
প্রস্তাবিত চুক্তির ক্ষেত্রে মূলত দুইটি বিষয় খুব গুরুত্ব পাচ্ছে। ইরান থেকে উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া এবং হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক রাখা নিশ্চিত করা।
হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প বলেন, 'ইরানের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে এবং তারা নিজেরাও চুক্তিতে আগ্রহী। তবে শেষ পর্যন্ত কী হয়, তা সময়ই বলে দেবে।'
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। জবাবে ইরান ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত করে দেয়।
পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনা স্থায়ী কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি। এরপর ট্রাম্প কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা ছাড়াই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ান।
অন্যদিকে, ১৩ এপ্রিল থেকে হরমুজ প্রণালিতে ইরানি জাহাজ চলাচলের ওপর নৌ-অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর