বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিন তীব্র ঠান্ডা উপেক্ষা করে জীবিকা নির্বাহের তাগিদে বেরিয়ে পরেছেন রিকশা চালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর সহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ।
যাত্রাপুর ইউনিয়নের দিনমজুর আজিজ মিয়া (৬০) বলেন, 'আজ কুয়াশা ও ঠান্ডায় বাড়িত থাকি বের হওয়া যায়।বাড়ি থাকি বের হওয়া যায় না। কি করবো কাম করি তো খাওয়া লাগবে তাই বের হইছি।'
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পৌর শহরের রিকশা চালক আমিনুল ইসলাম(৫০) বলেন, 'ঠান্ডায় বাড়িত থাকি বের হইছি ভাড়া নাই লোকজন বাইরে বের হবার না পারলে
ভাড়া হইবে কি করে এখন পযন্ত ১০ টাকা পাইছি। সংসার কি ভাবে চলবে চিন্তায় আছি।'
রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, 'আজ বৃহস্পতিবার জেলায় সকাল ৬ টায় ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকট করা হয়েছে। দিনে দিনে শীত আরও প্রকট হচ্ছে। তবে তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য কোন পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। হিমেল বাতা ও ঘনকুয়াশায় দূর্ভোগে পরছে মানুষ।'