মির্জা ফখরুল আরও বলেন, 'আমরা ভিক্ষা আর দয়ায় বাঁচতে চাই না, কাজ করে বাঁচতে চাই। এজন্য প্রশিক্ষণ নিতে হবে। আমাদের ছেলেরা শুধু পড়াশোনা করে এমএ-বিএ পাশ করতে চায়, কিন্তু পাশ করলেও চাকরি মেলে না। প্রশিক্ষণ নিয়ে বাইরে ভালো আয় করা সম্ভব। ছাত্রদের সঠিক পথে মনযোগী করতে হবে, এতে আমাদের উন্নতি হবে।'
তিনি যোগ করে বলেন, '১৫ বছর আমরা এসব কথা বলতে পারিনি। আমাদেরকে শুধু পিটিয়েছে, মামলা দিয়েছে। এখন আমরা কাজ করতে চাই। আপনারা সংগঠন গড়ে তুলবেন, সংগঠনের মাধ্যমে আমরা কাজ করব। সবজি রাখার জন্য কোল্ড স্টোরেজ করা হবে, নারীদের কুটির শিল্পে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।'
মির্জা ফখরুল নিজের জন্মস্থান ঠাকুরগাঁওয়ের প্রসঙ্গও তুলে ধরে বলেন, 'আমার বাবা, আমি ও আমার ছোট ভাই পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলাম। আওয়ামী লীগের সময় ছোট ভাই চেয়ারম্যান থাকা সত্ত্বেও তাকে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। সরকার চলে যাওয়ার পর আমরা শহরের রাস্তার কাজগুলো নিয়েছি। অতীতে আপনারা ভোট দিয়েছেন, এবারও দেবেন।'
পথসভায় স্থানীয় নারীরা মির্জা ফখরুলকে টাকার মালা পরিয়ে সম্মান জানানোর সময় তিনি আবেগ আপ্লুত হয়ে বলেন, '২০০১ সালের নির্বাচনের সময় এলাকার মা-বোনেরা মুরগি, ডিম বিক্রি করে আমাকে নির্বাচনের জন্য অর্থ দিয়েছিলেন, কারণ আমার নিজস্ব টাকা ছিল না। ২০০৬ সালে একটি গাড়ি ক্রয় করেছি, যা এখনো পরিবর্তন করতে পারিনি। অন্যের দেওয়া গাড়িতে নির্বাচন করছি।'