এর আগে, ২৫ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানির সময় কারাগার থেকে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
দুদকের অভিযোগ, ১৫ জানুয়ারি আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের মামলা দায়ের করা হয়।
দুদকের হিসাব অনুযায়ী, তার বৈধ আয়ের উৎস থেকে মোট আয় দাঁড়ায় ৯৯ লাখ ৯ হাজার ৮৫১ টাকা। এর মধ্যে অতীত সঞ্চয় ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮২১ টাকা, টকশো ও কনসালটেন্সি থেকে আয় ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৭ টাকা, প্লট বিক্রি থেকে ২২ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ বাবদ ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫৩ টাকা।
ঘোষিত আয়ের তুলনায় আনিস আলমগীরের অতিরিক্ত সম্পদ ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকা, যা মোট অর্জিত সম্পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ। এই অংশকে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।