শীতের আমেজে ভাপা পিঠা না খেলে যেন মৌসুমটাই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। শীতের সকালে ঘুম থেকে উঠে ফুটপাতের ছোট্ট ভ্যানদোকানে কাঠের জ্বালানিতে উত্তপ্ত চুলার ওপর পানির ভাপে আটা, গুড় ও নারকেলের মিশ্রণে তৈরি হচ্ছে সুস্বাদু গ্রাম্য ভাপা পিঠা।
রাজধানী ঢাকা-সহ সারা দেশের মতো গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গড়-গড়িয়া মাস্টারবাড়ী এলাকাতেও মিলেছে এমনই এক ভাপা পিঠার ভ্যানদোকান।
লালমনিরহাট থেকে আসা হুমায়ূন কবির গড়-গড়িয়া মাস্টারবাড়ী এলাকায় প্রতিদিন ১৩ থেকে ১৫ কেজি আটা দিয়ে ভাপা পিঠা তৈরি ও বিক্রি করেন। প্রতি কেজি আটা থেকে তৈরি হয় ১২ থেকে ১৫টি পিঠা। এসব সুস্বাদু পিঠা তিনি বিক্রি করেন প্রতিটি ১০ টাকা দরে।
প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ২ হাজার ২৫০ টাকার পিঠা বিক্রি করেন লালমনিরহাটের এই ভাপা পিঠা বিক্রেতা হুমায়ূন কবির।
প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে গড়-গড়িয়া মাস্টারবাড়ী বাজার এলাকায় ভ্যানগাড়িতে করে এই সুস্বাদু ভাপা পিঠা বিক্রি করেন তিনি।
ভাপা পিঠা খেয়ে স্থানীয় একটি কারখানার শ্রমিক জানান, প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার সময় তিনি একটি পিঠা খেয়ে নেন। নারকেল, গুড় ও আটার মিশ্রণে তৈরি এসব পিঠার স্বাদ সত্যিই অসাধারণ।
প্রতি শীতেই শহর ও গ্রাম—সব জায়গাতেই ভাপা পিঠার দোকান দেখা যায়। শীতের সকাল-সন্ধ্যায় এই পিঠাই হয়ে ওঠে মানুষের পছন্দের খাবার।