মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক একাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
ফেসবুক পোস্টে হিমেল বলেন, 'ভিন্ন মতাদর্শের রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনের অনেক বিতর্কিত কর্মকাণ্ড অতীতে ধৈর্য ও সহনশীলতার সঙ্গে সহ্য করা হয়েছে। সব ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনকে নিয়ে কাজ করার মানসিকতা থেকেই জবি ছাত্রদল এতদিন ধৈর্য ধরেছে। তবে কেউ যদি সেই সীমা অতিক্রম করে, তাহলে এর পরিণাম হবে ভয়াবহ—এমন হুঁশিয়ারি দেন ছাত্রদল আহ্বায়ক। পোস্টে তিনি বলেন, সীমা ছাড়ালে সংশ্লিষ্টরা ঢাকা শহরের কোথাও থাকতে পারবেন না—না ক্যাম্পাসে, না বাসাবাড়িতে।'
পোস্টে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে জবি ছাত্রদলের কাছে একটি আবেগের জায়গা হিসেবে উল্লেখ করে হিমেল বলেন, 'দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং সুস্থ ধারার রাজনৈতিক চর্চা বজায় রাখতে তারা দীর্ঘদিন ধরে ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে আসছেন।'
এদিকে শাকসু নির্বাচন বন্ধ করিয়ে আগামী ২২ জানুয়ারি সিলেটে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজনৈতিক সমাবেশ আয়োজন করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ তুলে জবি শিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল তারেক রহমানের সমাবেশ বন্ধের দাবিতে সিলেট শহরে অবরোধের ডাক দেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারাদেশে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সমালোচনার ঝড় ওঠে। সেই সমালোচনার প্রেক্ষিতেই জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল ওই ফেসবুক পোস্ট দেন বলে জানা গেছে।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, 'ছাত্রলীগের ছত্রচ্ছায়ায় থাকা কোনো সংগঠন যদি উল্টোপাল্টা বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত না থাকে, তাহলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।'