সাক্ষাৎ শেষে মন্ত্রী বলেন, 'বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে উন্নয়ন সহযোগিতাকে আরও বিস্তৃত করতে চায়। দেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।'
তিনি বাংলাদেশকে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরে আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানান। একই সঙ্গে উন্নয়ন কার্যক্রমে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন। বিশেষ করে কৃষি, জ্বালানি সহায়তা এবং সোলার প্যানেলসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান তিনি।
বৈঠক শেষে উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করে যে, পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা ভবিষ্যতে আরও ত্বরান্বিত হবে।