অনন্য কোটচাঁদপুর উপজেলার প্রদ্যুৎ কুমার গাঙ্গুলি ও রাধারানী ভট্টাচার্যের ছেলে। তার মা রাধারানী ভট্টাচার্য কোটচাঁদপুর বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং বাবা প্রদ্যুৎ কুমার গাঙ্গুলি কোটচাঁদপুর মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের সাবেক প্রভাষক।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে অনন্য ঢাকা থেকে বাড়িতে আসে। রাতে পরিবারের সঙ্গে খাবার খেয়ে সে নিজ শোবার ঘরে চলে যায়। রোববার সকাল ৮টার দিকে নাশতা প্রস্তুত করে তার মা খাবারের জন্য ডাকলেও কোনো সাড়া পাননি। পরে পাশের জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখেন, অনন্য ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে। এরপর খবর পেয়ে পুলিশ এসে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
অনন্যের মা রাধারানী ভট্টাচার্য বলেন, ‘বাড়িতে আসার পর সে একদম স্বাভাবিক আচরণ করছিল। আমার সঙ্গে কখনো কোনো বিষয় নিয়ে তার মন খারাপের ঘটনাও ঘটেনি। কেন সে এমন সিদ্ধান্ত নিল, আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না।’
কোটচাঁদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এনায়েত আলী খন্দকার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বজনদের সহায়তায় অনন্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য, অনন্য গাঙ্গুলি ২০২২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন।