টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসে কক্সবাজারে গত সাত দিনে অন্তত ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে পানিতে ডুবে ও পাহাড়ধসে প্রাণ হারানো শিশু এবং রোহিঙ্গাও রয়েছেন।
জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, জেলার ১০ উপজেলার ৩৫টি ইউনিয়নের ১৫০টির বেশি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী। প্রায় তিন লাখ মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।
সরকারি হিসাবে ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৬২ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং ৬৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৪ হাজার ৬১ জন আশ্রয় নিয়েছেন। দুর্গতদের জন্য ২০০ টন চাল, ৪৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার ও ১২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ছয় দিনে জেলায় ৭০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। আগামী দুই দিনও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এতে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি এবং নতুন করে পাহাড়ধসের আশঙ্কা রয়েছে। উপকূলীয় এলাকার জন্য ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রাখা হয়েছে।