শেয়ার করা ওই লেখায় বলা হয়, ভারত ও চীনের মতো দেশ থেকে কিছু মানুষ কেবল যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দেওয়ার উদ্দেশ্যে আসেন, যাতে তাদের সন্তান জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব পায়।
রেডিও সঞ্চালক মাইকেল সেভেজের ওই চিঠিতে ভারত ও চীনকে অবমাননাকর ভাষায় উল্লেখ করা হয়েছে বলেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে।
ট্রাম্প এর আগে সিএনবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া বিশ্বের আর কোনো দেশে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব দেওয়া হয় না।
ট্রাম্পের এই পোস্ট এবং মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ভারত ও চীনে বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের মন্তব্য অভিবাসন ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কেও প্রভাব ফেলতে পারে।
মানবাধিকারকর্মী ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা এসব মন্তব্যকে বিদ্বেষমূলক ও বিভাজন সৃষ্টিকারী হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের মতো বহুজাতিক সমাজে এ ধরনের বক্তব্য সামাজিক ও কূটনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব বিদ্যমান থাকলেও এ ধরনের মন্তব্য দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
সূত্র: এনডিটিভি