মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান খান ও সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ শোকবার্তা প্রকাশ করা হয়।
এতে বলা হয়, বেগম খালেদা জিয়া বিগত ফ্যাসিবাদের সতের বছর অমানুষিক নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হয়ে নানা শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে পড়েন। মৃত্যুর আগে গত ২৩ নভেম্বর ২৫ থেকে নানা শারীরিক জটিলতা নিয়ে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে টানা চল্লিশ দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি পাঁচবার সংসদ সদস্য, তিনবার প্রধানমন্ত্রী ও দুইবার বিরোধী দলীয় নেত্রী হিসেবে দেশের মানুষের সেবা করেন। তার আপসহীন গুণবৈশিষ্ট্যের কারণেই যতবার মানুষের অধিকার, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ কর্তৃক আক্রান্ত হয়েছে ততবারই বাংলাদেশের মানুষ তার নেতৃত্বে আস্থা পোষণ করে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ উৎখাত করেছে। জনগণ তাকে ভালোবেসে দেশনেত্রী, গণতন্ত্রের মাতা এবং সর্বশেষ দেশমাতা অভিধায় অভিষিক্ত করেছিল। তার বিয়োগে যে শূন্যতা সৃষ্টি হলো তা অপূরণীয়। জাতির এই মহিয়সি, মহিমান্বিত অভিভাবকের মৃত্যুতে সকল দেশবাসীর সাথে আমরা জিয়া পরিষদ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রত্যেক সদস্য গভীরভাবে শোকাভিভূত।
এতে আরও বলা হয়, মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে প্রার্থনা করি তিনি যেন বেগম খালেদা জিয়াকে ক্ষমা করেন। জান্নাতুল ফেরদাউসের উঁচু মাকাম নসিব করেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গ ও দেশবাসীকে ধৈর্যধারণের তাওফিক দান করেন। আমিন।
উল্লেখ্য, আজ ৩০ ডিসেম্বর রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন বেগম খালেদা জিয়া। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।