জাতীয় নির্বাচনে এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়ী বিএনপি আসন অনুপাতে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে ৩৫টি পাবেন। জোটগতভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১টি এবং যৌথভাবে ১৩টি আসন পেতে পারে।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা জানান, সংরক্ষিত নারী এমপি মনোনয়নে অঞ্চল, অভিজ্ঞতা ও দায়িত্বশীলতা প্রধান বিবেচ্য হবে। যেসব অঞ্চলে জামায়াতের এমপি নেই সেখান থেকে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হবে। এছাড়া পূর্ববর্তী দায়িত্ব পালনকারীদেরও প্রাধান্য দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক মহিলা নেতৃত্বের মধ্যে থেকে ১১ জন প্রার্থী বাছাইয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদে ৮৯ সদস্যের মধ্যে ২১ জন নারী রয়েছেন। এই তালিকা থেকে অধিকাংশ প্রার্থী মনোনীত হবেন বলে জানা গেছে।
বর্তমানে আলোচনায় থাকা জামায়াতের নারী প্রার্থীরা হলেন: কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দিকা, বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ডা. আমিনা বেগম রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য শাহান আরা বেগম এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি ব্যারিস্টার সাবিকুন্নাহার মুন্নী।
এছাড়া আলোচনায় রয়েছেন সাঈদা রুম্মান, খন্দকার আয়েশা খাতুন, ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট, কাজী মারিয়া ইসলাম বেবি, রাবেয়া খানম, ডা. শিরিন আক্তার রুনা, তানহা আজমি, নার্গিস খান, কানিজ ফাতেমা, সেলিনা আক্তার ও আয়েশা সিদ্দিকা পারভীন।
ডা. আমিনা বেগম জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের স্ত্রী। তিনি পূর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ছিলেন। এছাড়া সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা ও জামায়াত নায়েবে আমিরের স্ত্রী ডা. হাবিবা চৌধুরীও আলোচনায় রয়েছেন।
জোটগতভাবে মনোনয়ন করা হলে আরও দুটি নারী আসন পেতে পারে জামায়াত-এনসিপি জোট। এনসিপির প্রার্থী হিসেবে সম্ভাব্য নারীরা হলেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব মনিরা শারমীন ও যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল জানান, এখনও সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। তবে অতীত অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা প্রধান বিবেচ্য হবে।