এর আগে মার্কিন দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে দাবি করেছিল, ওমানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আলোচনা প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। তবে লারিজানির বক্তব্যে সেই গুঞ্জন কার্যত নাকচ হয়ে গেল।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের মাত্রা নতুন করে তীব্র হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। মেডিকেল সূত্রের বরাতে হতাহতের এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, লেবানন থেকে মিসাইল নিক্ষেপের পর পরিস্থিতি সরাসরি সংঘাতে রূপ নেয়। তবে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ খলিল আউন এ পরিস্থিতিকে ‘প্রক্সি সংঘাত’ হিসেবে উল্লেখ করে তার দেশকে বড় ধরনের যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ার বিষয়ে সতর্ক অবস্থানের কথা জানান। ২০২৪ সালের যুদ্ধবিরতির পর এই প্রথম ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে বড় ধরনের উত্তেজনা দেখা দিল।
সংঘাতের বিস্তার ঠেকাতে ইসরায়েল লেবাননের ৫০টিরও বেশি গ্রামের বাসিন্দাদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, হিজবুল্লাহর স্থাপনা বা সামরিক অবকাঠামোর আশপাশে অবস্থান করলে জীবন ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাই বাসিন্দাদের অন্তত এক হাজার মিটার দূরে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ জিসিসি এক জরুরি ভিডিও কনফারেন্সে মিলিত হয়ে ইরানের ‘আগ্রাসনের’ বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছে। সদস্য দেশ সৌদি আরব, আরব আমিরাত ও কাতার সহ ছয়টি দেশ জানিয়েছে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে তারা প্রস্তুত।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা নিয়ে মার্কিন জনমতে বিভক্তির চিত্র উঠে এসেছে রয়টার্স ও ইপসসের এক জরিপে। জরিপ অনুযায়ী, সামরিক পদক্ষেপকে সমর্থন করেছেন মাত্র ২৭ শতাংশ আমেরিকান, বিপরীতে ৪৩ শতাংশ সরাসরি এর বিরোধিতা করেছেন।
এছাড়া, ৫৬ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় সামরিক শক্তি ব্যবহারে অতিরিক্ত আগ্রহী।