ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে (এনজিওগুলোর তথ্যমতে) শতাধিক মানুষের প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ইরানি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা বাড়ছে বলে ইঙ্গিত মিলছে।
বিক্ষোভ দমনে তেহরানের কথিত সহিংসতার ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার “কঠোর পদক্ষেপ”-এর হুমকি দিয়েছেন। এর ফলে শিগগিরই হামলা হতে পারে—এমন জল্পনা তীব্র হয়েছে।
দুই ইউরোপীয় কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ ঘটতে পারে। একই সঙ্গে এক ‘ইসরায়েলি’ কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্প কোনো না কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন বলে মনে হচ্ছে।
এই মূল্যায়নের সঙ্গে মিল রয়েছে ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার (আইএসডব্লিউ)-এর পর্যবেক্ষণের। সংস্থাটি ১৩ জানুয়ারির প্রতিবেদনে জানায়, পেন্টাগন ট্রাম্পের কাছে বিভিন্ন বিকল্প তুলে ধরেছে—এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সুবিধায় হামলা অথবা দেশটির নিরাপত্তা অবকাঠামোর বিরুদ্ধে সাইবার আক্রমণের প্রস্তাবও রয়েছে।
হিব্রু ভাষার গণমাধ্যম—এর মধ্যে “দ্য টাইমস অব ইসরায়েল”ও রয়েছে—১৩ জানুয়ারিতে জানায়, উপদেষ্টাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সম্ভাবনা আরও বেড়েছে। এক মার্কিন সূত্রের সতর্কবার্তায় বলা হয়, চলমান “রক্তপাত” বিবেচনায় আর নিষ্ক্রিয় থাকা সম্ভব নয়।
এদিকে ইরানি কর্মকর্তারা কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হামলা হলে তেহরান অঞ্চলজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র বা ‘ইসরায়েল’-এর ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে পারে। সূত্র: রয়া নিউজ