সোমবার (৫ জানুয়ারি) ডেনিশ সম্প্রচারমাধ্যম টিভি টু-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশকে লক্ষ্য করে যদি সামরিক অভিযান চালানো হয়, তাহলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গড়ে ওঠা বৈশ্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস হবে।'
গত কয়েকদিন ধরে ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে ২০ দিনের মধ্যে আলোচনা করার কথা জানিয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এই দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য বলেও দাবি করেন তিনি।
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস ফ্রেডেরিক নিয়েলসেনও জনগণকে শান্ত ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গ্রিনল্যান্ডে পেন্টাগনের ‘পিটুফিক স্পেস বেস’সহ একটি শক্তিশালী ঘাঁটি রয়েছে। এটি ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কীকরণ এবং মহাকাশ নজরদারির কাজে ব্যবহৃত হয়। ডেনিশ পার্লামেন্টের সাম্প্রতিক এক আইন অনুযায়ী, ডেনমার্কের মাটিতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি রয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের সাবেক কর্মকর্তা কেটি মিলারের সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত মানচিত্র, যা মার্কিন পতাকার রঙে রঙ করা এবং ‘সুন’ বা ‘শিগগিরই’ লেখা রয়েছে, তা ন্যাটোর অখণ্ডতার জন্য বড় ধরনের সংকেত হয়ে দাঁড়িয়েছে।