অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি থানার সাওতালপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোছাঃ ফাতেমা বেগমের সঙ্গে শ্রীপুর উপজেলার মুলাইদ এলাকার বাসিন্দা মোছাঃ মনি আক্তারের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে প্রাউড ব্রাইডাল বিউটি জোন বিক্রির বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে পরিচয় হয়েছিল। অভিযুক্ত নিজেকে মাওনা চৌরাস্তা-মাওনা বাজার সড়কের শেখ টাওয়ারে অবস্থিত প্রাউয ব্রাইডাল বিউটি জোন নামের একটি বিউটি পার্লারের মালিক পরিচয় দিয়ে দোকান ঘর ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন।
পরবর্তীতে ১ আগস্ট ২০২৫ তারিখে উভয়ের মধ্যে একটি চুক্তিপত্র সম্পাদিত হয় এবং অগ্রিম বাবদ ৩ লাখ টাকা গ্রহণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও দোকান ঘর বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি এবং টাকা ফেরত দিতেও অস্বীকৃতি জানান অভিযুক্ত মনি আক্তার।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে মাওনা চৌরাস্তার পার্লারের সামনে পাওনা টাকা চাইতে গেলে অভিযুক্ত অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ সময় দোকান থেকে মালামাল সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টাও করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ফাতেমা শেখ টাওয়ারের মালিক জালাল উদ্দিন শেখের সরণাপন্ন হলে মালিক এ বিষয়ে অভিযুক্ত মনি আক্তার ও তার স্বামী জহিরুল ইসলাম কে অবগত করলে অভিযুক্ত মনি ও তার স্বামী মালিক কে উল্টো হুমকির দিতে থাকেন।
অভিযুক্ত মনি আক্তার ও তার স্বামী জহিরুল ইসলাম,মনি আক্তারের পিতা মোস্তফা ও মাতা কে ডেকে শেখ টাওয়ারের মালিকের কক্ষে সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করা হলে মনি আক্তার ও তার স্বামী জহিরুল ইসলাম জানান , পার্লারের আসবাবপত্রের মূল্য , সাজসজ্জার ডেকারেশোনের মূল্য আলাদা করে বারো লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ,এর মধ্যে তিন লাখ টাকা বুঝিয়ে নিয়েছেন বলে জানান তারা।তবে মালিকের কক্ষে বসে মালিকের বহুতল ভবন ও উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের কিনে নেওয়ার হুমকি দেন ।
এ বিষয়ে শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি নাসির জানান অভিযোগ পেয়েছি এ বিষয়ে তদন্ত চলমান , তদন্ত শেষে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ভুক্তভোগী প্রতারণার মাধ্যমে ৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে প্রশাসনের কাছে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।