এ সময় উপস্থিত ছিলেন রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ল্যাব ও নারায়ণগঞ্জ জেলা সিনিয়র সহ সভাপতি বিএমটিএ আলমগীর কবির, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট ও জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গাফ্ফার মোল্লা, ফার্মাসিস্ট মো. বাদল মিয়া, ফার্মাসিস্ট শাহজাদি হারুন, ফার্মাসিস্ট চন্দনা বিশ্বাস, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট রেডিওগ্রাফি সেলিনা সুলতানা, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ল্যাব গোলাম মোস্তফা, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর নুরুল ইসলাম, ইপিআই আওলাদ হোসেন সহ আরও সদস্যরা।
কর্মসূচি পালনের সময় বক্তারা বলেন, 'আমরা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টগণ ৩১ বছর ধরে ১১তম গ্রেডে বেতন পাচ্ছি। ২০১৫ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় টেকনোলজিস্টদের ১০ম গ্রেড নির্ধারণ করলেও তা এখনও কার্যকর হয়নি। অন্যদিকে, ২০১৮ সালে কৃষি ডিপ্লোমাধারীদের ১০ম গ্রেড দেওয়া হলেও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা এখনও তা থেকে বঞ্চিত। এটি চরম বৈষম্য। ১৯৯৪ সালে ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারদের ১০ গ্রেড দেয়া হয়েছে। ২০১৩ সালের নার্সদের ১০ গ্রেড দেয়া হয়। কিন্তু দুঃখজনক যে, স্বাস্থ্য সেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ এ বিভাগে অবহেলিত আমরা। তাই আমরা অবিলম্বে ১০ গ্রেড বাস্তবায়ন চাই। তাই ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী এ কর্মবিরতি পালন করছি।'
তারা আরো বলেন, 'আগামী ১ ডিসেম্বর (সোমবার) সারাদেশের সব সরকারি–বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও স্বাস্থ্যশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালিত হবে। তারপর ৪ ডিসেম্বর পূর্ণদিবস কর্মসূচি পালন করবো। এসব উদ্যোগের পরও যদি দাবি বাস্তবায়িত না হয়, তবে দেশের সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে লাগাতার কর্মবিরতি চলবে।'