শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে মুক্তাগাছা থানার পুলিশ ৫৪ ধারায় আজিজুল হককে গ্রেফতার দেখিয়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠায়। পরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইকবাল হোসেন তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আজিজুল হক উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের ঝনকা বড়টেঙ্গর গ্রামের ইব্রাহিমের ছেলে এবং ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক।
পুলিশ জানিয়েছে, অজ্ঞাতপরিচয় কিছু ব্যক্তি একটি ব্লগ পেজে এক নারীর অশ্লীল ছবির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি এডিট করে ‘অনেক দিন পর বান্ধবীর সঙ্গে দেখা’ লিখে পোস্ট করেন। পরে আজিজুল হক ওই ছবিটি নিজের ফেসবুকে শেয়ার করেন। এছাড়া ওই পেজ থেকে নিয়মিত দেশ ও সরকারবিরোধী পোস্ট দেওয়া হচ্ছিল। পুলিশ আরও জানায়, আজিজুল হক তার পরিচালিত ঝনকা বাজার নার্সারিতে অচেনা ব্যক্তিদের নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত গোপন মিটিং করতেন।
উপজেলা জামায়াতের আমির শামসুল হক বলেন, 'শুনেছি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি করার অভিযোগে আমাদের এক কর্মীকে পুলিশ আটক করেছে। নেতাকর্মীরা তাকে ছাড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন।'
মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অপপ্রচারের কারণে আজিজুল হককে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। যেহেতু বিষয়টি সংবেদনশীল, মামলা করার আগে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার পর মামলার আগেই আদালতে তাকে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। স্থানীয় এক রাজনৈতিক কর্মী বাদী হয়ে মামলা করবেন।'