সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী ডা. দীপু মনির স্বামী এবং সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বাদ জোহর রাজধানীর গুলশান কেন্দ্রীয় আজাদ মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে।
এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ধানমন্ডির কলাবাগানে নিজ বাসা থেকে তৌফিক নেওয়াজের মরদেহ গুলশান কেন্দ্রীয় আজাদ মসজিদে নেওয়া হয়। সকালে তার মরদেহ বাসায় পৌঁছালে সেখানে স্বামীকে শেষবারের মতো দেখতে পান ডা. দীপু মনি। এ সময় তাকে আবেগাপ্লুত অবস্থায় দেখা যায়।
স্বামীর জানাজায় অংশ নিতে দীপু মনি প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেছিলেন। তার আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম বুধবার মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে এ আবেদন করেন। পরে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টার জন্য তার প্যারোলে মুক্তির অনুমতি দেন।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা একাধিক মামলায় আসামি হয়ে দীপু মনি বর্তমানে মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারে ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ কিডনি ও লিভারসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে তিনি দীর্ঘ সময় শয্যাশায়ী ছিলেন।
কারাগারের বাইরে স্বামীর সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি চেয়ে দীপু মনি একাধিকবার আবেদন করেছিলেন। তবে সে সময় তিনি অনুমতি পাননি। আদালতে হাজিরার সময়ও অসুস্থ তৌফিক নেওয়াজকে স্ট্রেচারে করে এনে স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করানো হয়েছিল বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার স্বামীর জানাজা ও দাফনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেলেন দীপু মনি।
সদ্য সংবাদ/এসএস