শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আলোচিত আজাদ মৃধাকে (৪৫) এক দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সোমবার দুপুরে তাঁকে শরীয়তপুর জেলা কারাগারে পাঠায় গোসাইরহাট থানা-পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশের ওপর হামলার মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি হিসেবে আজাদ মৃধাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। পরে পুলিশ তাঁর তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তাঁর বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন তিনি।
গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন এসব তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে গত ৯ অক্টোবর শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কোদালপুর ইউনিয়ন থেকে আজাদ মৃধাকে গ্রেপ্তার করে গোসাইরহাট থানা-পুলিশ। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় শনিবার দুপুরে তাঁকে শরীয়তপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার আজাদ মৃধা উপজেলার কোদালপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি সোহাগ মৃধার বড় ভাই এবং মন্টু মৃধার ছেলে।
পুলিশের অভিযোগ, গত জুলাই মাসে গোসাইরহাট থানা-পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে মাদক পাচারের সময় আজাদ মৃধা তাঁর মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যান। পরে শাহিনের মোটরসাইকেলটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে আজাদ মৃধা কোদালপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও কোদালপুর কৃষি ব্যাংকে তালা ঝুলিয়ে দেন বলে দাবি পুলিশের।
ওসি মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন জানান, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বা ভূমি অফিস কর্তৃপক্ষ এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। এ কারণে পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি।
ওসি আরও বলেন, আজাদ মৃধা আন্তজেলা মাদক চক্রের সঙ্গে সরাসরি জড়িত এবং গোসাইরহাট উপজেলায় মাদক বিস্তারের অন্যতম হোতা বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে। তবে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
সদ্য সংবাদ/এআর